Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

‘এক দফাতেই কাঁপবে বাংলা!’ ভোট মিটতেই সিইও-র মুখে মোদী-শাহের মডেলে সিলমোহর? বিরাট ইঙ্গিত মনোজ আগরওয়ালের!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বাংলায় কি তবে শেষ হতে চলেছে ভোট-সন্ত্রাসের জমানার? দুই দফার ভোট মিটতেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়ালের গলায় শোনা গেল আত্মবিশ্বাসের সুর। সাত-আট দফার দীর্ঘসূত্রিতাকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, পশ্চিমবঙ্গ এবার প্রমাণ করে দিয়েছে যে শান্তিতে ভোট করা সম্ভব। আর সিইও-র এই মন্তব্য ঘিরেই জল্পনা শুরু হয়েছে— তবে কি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি আর মোদী সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিই বদলে দিল বাংলার ছবি?

গতকাল দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট শেষে সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ দেখিয়ে দিয়েছে, দুই দফায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে সাত-আট দফার থেকে। কোনো মৃত্যু হয়নি। বড়সড় কোনো গণ্ডগোল হয়নি।” এমনকি তিনি একধাপ এগিয়ে বলেন, তামিলনাড়ু বা কেরলের মত বাংলাতেও এক দফায় ভোট হওয়া সম্ভব ছিল এবং তিনি সে বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।

তৃণমূল জমানার ভোট মানেই যেখানে হিংসা আর রক্তপাত ছিল দস্তুর, সেখানে এবারের চিত্র ছিল একদম উল্টো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিইও-র এই আত্মবিশ্বাসের মূলে রয়েছে তিনটি বড় কারণ:
১. কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঠিক ব্যবহার, বুথের ভেতরে ও বাইরে কড়া শাসন।
২. কমিশনের কড়া নজরদারি: কোনো প্রভাবশালী নেতার রক্তচক্ষু এবারের ভোটে দাগ কাটতে পারেনি।
৩. জনগণের স্বতঃস্ফূর্ততা: গড়ে ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে দুই দফাতেই। কোনো রক্তপাত ছাড়াই মানুষ নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে।

সিইও-র এই মন্তব্য কার্যত বিরোধী শিবির তথা বিজেপির দীর্ঘদিনের দাবিকেই মান্যতা দিচ্ছে। বিজেপি বরাবরই দাবি করে এসেছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিকমতো ব্যবহার করলে এক দফাতেই স্বচ্ছ ভোট সম্ভব। মনোজ আগরওয়ালও সেই সুরেই ‘এক দফা’ ভোটের পক্ষে সওয়াল করায় এখন স্পষ্ট— আগামী দিনে বাংলার ভোট মানেই হয়ত হবে একদিনের মেগা ফাইট, যেখানে গুন্ডাগিরির বদলে শেষ কথা বলবে ইভিএম।

Exit mobile version