Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

একেই বলে প্রকৃত নেতা! নীতিন নবীনের সংবর্ধনা হবে না! মঞ্চ থেকে কেন এমন ঘোষণা শুভেন্দুর?

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ গোটা দেশ অত্যন্ত শোকের আবহে রয়েছে। খবর পাওয়া গিয়েছে যে, বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকলেই শোক জ্ঞাপন করেছেন। তবে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকার কারণে এবং সকলে যেহেতু চলে এসেছেন, সেই কারণে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতীন নবীনের কর্মসূচি হচ্ছে দুর্গাপুরে। হাতে সময় থাকলে এবং সকলকে জানানোর সুযোগ থাকলে হয়ত তিনি এই শোকের আবহে এই কর্মসূচি করতেন না। কিন্তু যেহেতু সকলে চলে এসেছেন, তাই এই কর্মসূচি তাকে করতে হচ্ছে। আর সেই কর্মসূচিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে নিজের রাজ্য সফর পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে শুরু করলেও, এমন একটি দুঃখের দিনে কোনো সংবর্ধনার যে প্রশ্নই নেই, তা মঞ্চ থেকেই ঘোষণা করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বিজেপি শুধুমাত্র নামেই সর্বভারতীয় এবং বৃহৎ রাজনৈতিক দল নয়। তাদের যে সমস্ত শৃঙ্খলা রয়েছে, তাদের যে নিষ্ঠাবোধ রয়েছে, তা আরও একবার আজ পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকে প্রমাণ হয়ে গেল। যেখানে দুর্গাপুরে বিজেপির কার্যকর্তাদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর সেখানেই প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন কিছুদিন আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দায়িত্ব পাওয়ার নীতীন নবীন। প্রথমেই সেখানে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর অকাল প্রয়াণে শোক জ্ঞাপন করা হয়। আর তারপর সৌমিত্র খাঁ সঞ্চালক হিসেবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে শমীক ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারী সংবর্ধনা জানাবেন বলে জানালেও, মুহূর্তের মধ্যে মাইকের সামনে গিয়ে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাদ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

মঞ্চে মাইকের সামনে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী প্রয়ানে সকলেই অত্যন্ত শোকাহত। তাই পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকার কারণে এবং সকলে চলে আসার কারণে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বক্তব্য রাখবেন। কিন্তু যেহেতু এইরকম একটি শোকের ঘটনা ঘটেছে, তাই তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার যে প্রক্রিয়াটি রয়েছে, সেটা তারা বাদ রাখছেন।” একাংশ বলছেন, একদম উপযুক্ত কাজ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজকের দিনে এইরকম সিদ্ধান্তই নেওয়া উচিত ছিলো। আর শুধু শুভেন্দুবাবু কেন, হয়ত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিও এইরকম সংবর্ধনা আজকের দিনে নিতে চাননি। সংবর্ধনার অনেক সময় আছে। কিন্তু যে শোকের ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে আজকে কোনোরকম বাহুল্যতার যে প্রয়োজন নেই, তা বিজেপির মত নীতি পরায়ন এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ দলের এই ধরনের সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট হয়ে গেল। যাকে সকলেই অত্যন্ত ভালো চোখে দেখছেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version