Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“এমন একটা দিনে এই দায়িত্ব এলো….” রাজ্যসভার প্রার্থী হয়েই কি প্রতিক্রিয়া রাহুলের?

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- গতকাল যখন রংয়ের উৎসবে ভাসতে শুরু করেছিল গোটা বাংলা তথা গোটা ভারত, ঠিক তখনই কেন্দ্রীয় বিজেপির পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গে যে রাজ্যসভার আসনে বিজেপির জয় কার্যত নিশ্চিত, সেই আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে যিনি বিজেপির সঙ্গে জড়িত, সেই রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহাকে এই রাজ্যসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে ভারতীয় জনতা পার্টি। যার ফলে অত্যন্ত খুশি রাহুলবাবু তো বটেই, তার বহু অনুগামীরাও। দীর্ঘদিন পর দল করার একটা পুরস্কার তিনি পেলেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর এই পরিস্থিতিতে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দোলের মত পবিত্র শুভদিনে তার ওপরে এই দায়িত্ব পার্টি অর্পণ করায় তিনি যে অত্যন্ত খুশি, সেই কথা জানিয়ে দিলেন রাহুল সিনহা।

সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে বিজেপির কর্মীদের তো বটেই, গোটা রাজনৈতিক মহলের নজর ছিল পশ্চিমবঙ্গের যে রাজ্যসভার আসনে বিজেপির জয়লাভ নিশ্চিত, সেখানে বিজেপি কাকে প্রার্থী করে। বিজেপির মধ্যে গোষ্ঠী রয়েছে, এটা সকলেই জানেন। সেক্ষেত্রে সামনে যখন বিধানসভার মত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন, তখন দলের মধ্যে যাতে সমস্যা না হয়, তার জন্য ব্যালেন্স রেখে বিজেপি কি কোনো পুরনো মুখকে দায়িত্ব দেবে, নাকি নতুন কোনো মুখ নিয়ে আসবে, তা নিয়ে চর্চার শেষ ছিল না। অবশেষে গতকাল কেন্দ্রীয় বিজেপির ঘোষণার মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে রাজ্যসভার আসনে বিজেপি পুরোনো মুখ রাহুল সিনহাকেই পাঠাতে চলেছে। সকলেই বলছেন, এটা বিজেপির একটা উপযুক্ত এবং সঠিক সিদ্ধান্ত। আর প্রথম প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন রাহুল সিনহা।

 

 

এদিন পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার আসনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে রাহুল সিনহার নাম ঘোষণা করা হয়। আর সেখানেই প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আজ এমন একটা পবিত্র দিনে আমার এই পবিত্র দায়িত্ব ঘাড়ে আসলো, যার জন্য আমি অত্যন্ত খুশি। কারণ হোলি মানে, হিরণ্যকশিপুর বোন প্রহ্লাদকে মারতে গিয়ে নিজেই আগুনে শেষ হয়ে গেল। আর সেই কারণেই অশুভের পতন এবং শুভর সূচনা হোলির মাধ্যমে করার রীতি চলে আসছে। তাই এইরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে আমার ওপর যে গুরুদায়িত্ব চাপলো, তাতে আমি অত্যন্ত খুশি।”

Exit mobile version