প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল যারাই তাদের বিরোধিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধেই তারা যা ইচ্ছে, তাই বলতে শুরু করবে। এটাই এই রাজ্যের ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস কারও্যর বিরোধিতা শুনবে না। এক্ষেত্রে সমাজের বিশিষ্ট মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষাবিদ বা অর্থনীতিবিদ কেউ সমালোচনা করলেই তাদের পাল্টা বদনাম করতে এরা দুবার ভাবে না। বিভিন্ন সময় তেমনটাই অভিযোগ করে বিরোধীরা। আর গতকাল রাজ্য বিধানসভায় রাজ্য বাজেট নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে যেভাবে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে বিশিষ্ট বাঙালি অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে, তার বিরুদ্ধে বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেছে বিজেপি। আর তারপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের সুরে কথা না বললেই সমাজের বিশিষ্ট মানুষদের আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যের বর্তমান তৃণমূল সরকার বিদায়ের ঘন্টা শুনতে পাচ্ছে। আর সেই কারণেই কোনো গঠনমূলক সমালোচনাকে তারা প্রাধান্য দিচ্ছে না। নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, ততই গণতন্ত্রকে আরও ভূলুণ্ঠিত করার সব রকম কৌশল বেছে নিয়েছেন তারা। গতকাল রাজ্য বিধানসভায় রাজ্য বাজেট নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়েও তৃণমূলের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা বিধায়ক অশোক লাহিড়ীকে। আর তারপরেই সোচ্চার হয়ে এটা বাঙালি সমাজের অপমান বলে দাবি করেছে বিরোধীরা। আর এবার গোটা বিষয়ে তৃণমূলের সংস্কৃতি নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “ডঃ অশোক লাহিড়ির মত আদর্শ বাঙালি, জাতীয় ব্যক্তিত্ব, তাকে যে ভাষায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাষ্ট্রমন্ত্রী আজকে ১০ মিনিট ধরে আক্রমণ করেছেন…. অশোকবাবু ভদ্রলোক। তিনি অন্য জগত থেকে এসেছেন। তার প্রতিবাদটাও আজ আমার নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা বিধানসভার ভেতরে করেছেন। সম্মানীয় বাঙ্গালিদের অপমান আমরা মানবো না। এই সরকার এবং এই দল বিভিন্ন সময় পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট বাঙ্গালিদের ওদের সুরে কথা না বলার জন্য বারবার আক্রমণ করেছেন। কারণ এরা জিহাদি সংস্কৃতি, জঙ্গি সংস্কৃতি এবং মূলত আরবি সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চায়।”
