Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“এত দেরিতে কেন মানলেন?” SIR ইস্যুতে মমতার উদ্দেশ্যে কেন এমন বললেন দিলীপ?

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- অবশেষে ধীরে ধীরে বিভিন্ন জায়গার চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট প্রকাশিত হচ্ছে। অনেক জায়গাতেই প্রচুর মানুষের নাম বাদ চলে গিয়েছে। যত সময় যাবে, ততই স্পষ্ট হবে যে, এই চূড়ান্ত ভোটার লিস্টে রাজ্যজুড়ে ঠিক কত মানুষের নাম বাদ গেল। তবে এখনও পর্যন্ত ৬০ লক্ষ মানুষের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে। ধাপে ধাপে সেই ক্ষেত্রে লিস্ট বের হবে। তবে আজ এই লিস্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে ফেলেছিলেন যে, রাজ্যজুড়ে ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের মত নাম বাদ যেতে পারে। আর প্রথম থেকেই বিজেপি খুব ভালো মতই জানে যে, এই রাজ্যে অনেক অবৈধ ভোটারদের ভোটার তালিকায় রাখা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পর বাড়তি হাতিয়ার পেয়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। যার পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফাইনাল ভোটার লিস্ট প্রকাশ হওয়ার দিনেই মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

সম্প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এসআইআরের ক্ষেত্রে গোটা বাংলা জুড়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ যেতে পারে। আর মুখ্যমন্ত্রীর সেই বক্তব্যকে হাতিয়ার করেই বিরোধীরা বলছেন যে, তারা তো অনেক আগে থেকেই বলছেন যে, এক কোটির কাছাকাছি নাম বাদ যাবে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তো তখন এসআইআরের বিরোধিতা করেছিলেন। এখন তিনিও বুঝতে পারছেন যে, কত অবৈধ ভোটারকে তিনি ভোটার তালিকায় রেখে এতদিন ভোট বৈতরণী পার করে এসেছেন। ফলে আর কোনোভাবেই সেই অবৈধ ভোটারদের আটকানো যাবে না বুঝেই এখন মুখ্যমন্ত্রীর এই কান্নাকাটি। তবে এত দেরিতে কেন তার এই বিলম্বিত বোধোদয় হলো, এবার তা নিয়ে এই প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই তিনি বলেন, “হুমকি, ভয় এসব তো অনেক দিন ধরেই দিচ্ছেন। কিন্তু কি লাভ হলো? মমতা ব্যানার্জি মেনে নিয়েছেন যে, ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ যাবে। আমরাও তো এই কথাই বলছিলাম। তাহলে এত দেরিতে কেন মানলেন? উনিই তো একসময় পার্লামেন্টে বলেছিলেন যে, অনুপ্রবেশ কারীতে বাংলা ভরে গেছে। এদের না বার করতে পারলে বাংলা শেষ হয়ে যাবে। তাহলে ২০ বছর চলে গেল, উনি কি একটাকেও বের করতে পেরেছেন? উনি এখন বুঝে গিয়েছেন, ওটা তখন বিপদ ছিলো, এখন ওটা সম্পদ হয়েছে। আর ওদের নিয়েই তিনি তিনবার সরকার বানিয়েছেন। এবার আর সম্ভব নয়।”

Exit mobile version