প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এসআইআর নিয়ে প্রথম দিন থেকেই প্রবল আতঙ্কে রয়েছে এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রথম দিন থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি তিনি আদালত পর্যন্ত ছুটে গিয়েছিলেন। তবে কোনোভাবেই এসআইআর আটকাতে পারেননি। আর এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা দেখে রীতিমত আতঙ্কিত তৃণমূল কংগ্রেস। তাই ভোটের আগে শেষ চেষ্টা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার ধর্নায় বসে পড়ছেন। আগামীকাল মেট্রো চ্যানেলে তিনি ধর্নায় বসবেন বলেই খবর। আর এই পরিস্থিতিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর সেই ধর্না নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের একটাই চিন্তার কারণ, এসআইআর। যেভাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর ৬৪ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে, তাতে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোটের আর কোনো ফারাক নেই বলেই দাবি করছেন পদ্ম শিবিরের নেতারা। এমনকি বিবেচনাধীনের তালিকায় প্রায় ৬০ লক্ষের মত মানুষের নাম রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এত নাম যদি বাদ চলে যায়, তাহলে তৃণমূল যে কোনোভাবেই ক্ষমতায় আসতে পারবে না, তা ভালোমতই বুঝতে পারছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি যখন কোনো অস্ত্র না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ধর্নায় বসে যান, এক্ষেত্রেও তিনি তাই করতে চলেছেন। আর তার সেই ধরনের রাজনীতি নিয়েই পাল্টা খোঁচা দিলেন শমীক ভট্টাচার্য।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর ধর্না নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারেই প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “দেখুন, মুখ্যমন্ত্রী ধর্নার রাজনীতি শুরু করবেন, নাকি মুখ্যমন্ত্রী ম্যারাথন দৌড়ের রাজনীতি শুরু করবেন, সেটা তো মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপার। আর উনি তো এরকম করে থাকেন। আমরা মুখ্যমন্ত্রী কি করছে, সেই ব্যাপারে চিন্তিত নই। আমাদের বক্তব্য একটাই। আমাদের যে ফর্ম সেভেনগুলো পুলিশ বেআইনিভাবে বাজেয়াপ্ত করেছে, তৃণমূল কংগ্রেস আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এবং আমাদের যে জেনুইন ভোটার, যাদের নাম তৃণমূল কংগ্রেস বাদ দিয়েছে, তাদের শুনানি না করে পশ্চিমবঙ্গে ভোট করা যাবে না।”
