Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ফের উত্তপ্ত বেলডাঙ্গা! জি ২৪ ঘন্টার পর এবার আক্রান্ত এবিপি আনন্দের সাংবাদিক! কোথায় পুলিশ?

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- প্রতিবাদের নামে, আন্দোলনের নামে যে বিধ্বংসী ঘটনা বেলডাঙ্গায় ঘটছে, তা কি সত্যিই মেনে নেওয়া যায়? এটা কি কোনোদিন প্রতিবাদ এবং আন্দোলন হতে পারে? স্বাধীন এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কি এইরকম আন্দোলন করা যায়? তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। গতকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েছেন। ট্রেন লাইন অবরোধ করা থেকে শুরু করে তারা আইন হাতে তুলে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের ওপরেও হামলা করেছেন। আর তারপর রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরেও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তবে গতকালের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর আজকেও শান্ত হয়নি বেলডাঙা। ফের আজ হামলা নেমে এলো সংবাদমাধ্যমের ওপরে।

গতকাল বেলডাঙায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন জি ২৪ ঘন্টার মহিলা সাংবাদিক সোমা মাইতি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা থেকে শুরু করে গণতন্ত্রপ্রেমী সকল মানুষ গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের ওপর এইভাবে আক্রমণ কোনোমতেই মেনে নিতে পারছেন না। এমনকি রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। যখন থানা থেকে কিছুটা দূরে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, তখন কোথায় পুলিশ? কোথায় তাদের সদর্থক পদক্ষেপ? এই প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে রয়েছে। কিন্তু আজকেও যখন সংবাদ মাধ্যমের ওপর আক্রমণ নেমে এলো, তখনও পুলিশের নীরবতা প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

সূত্রের খবর, আজ সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বেলডাঙা। এখনও পর্যন্ত কিছু মানুষ রাস্তায় রয়েছেন, অবরোধ করছেন। আর সেখানেই খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন এবিপি আনন্দের সাংবাদিক পার্থপ্রতিম ঘোষ। তবে যারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তাদের মধ্যে কিছু মানুষ হঠাৎ করেই এসে সেই সাংবাদিকের ওপর আক্রমণ করে। এমনকি এবিপি আনন্দের যিনি চিত্র সাংবাদিক রয়েছেন, তার ওপরেও হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। তবে গতকাল জি 24 ঘণ্টার মহিলা সাংবাদিককে যখন আক্রমণ করা হয়েছিল, তখনও পুলিশের ভূমিকা যেমন প্রশ্নের মুখে ছিল, আজকেও পুলিশকে সেভাবে সদর্থক ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি। যার ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকেই কি এই বিক্ষোভকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। তবে এভাবেই যদি গোটা ঘটনা চলতে থাকে, এভাবেই যদি সংবাদমাধ্যমের ওপর আক্রমণ হতে থাকে, তাহলে যেখানে প্রশাসন সামাল দিতে পারছে না, সেখানে তো সাংবিধানিক সংস্থাগুলোর অবিলম্বে হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই সেই বিষয়টি নিয়ে দাবি জানাতে শুরু করেছেন রাজ্যের গণতন্ত্রপ্রেমী সাধারণ জনতা।

Exit mobile version