প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বর্তমান ভারতবর্ষ শত্রু দেশের সঙ্গে কোনো রকম সমঝোতায় যেতে রাজি নয়। নরেন্দ্র মোদী এবং তার সরকার বুঝিয়ে দিয়েছে যে, পাকিস্তানকে কি করে জবাব দিতে হয়। দেশের যারা ক্ষতি করবে, তাদের বিরুদ্ধে কি করে লড়তে হয়, তা এই ভারতবর্ষ খুব ভালো মতই দেখিয়ে দিয়েছে জনতাকে। যার ফলে নরেন্দ্র মোদীই একমাত্র ভরসার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আমজনতার কাছে। আর বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গকে যে দল একেবারে শেষ করে দিচ্ছে, সেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে এবার বড় লড়াই দিতে চলেছে বিজেপি। তারা আত্মবিশ্বাসী, এবার ক্ষমতায় আসছে তারাই। আর এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে যেমন আক্রমণ করা হয়েছে, ঠিক তেমনই তৃণমূলের প্রতি আঘাত আনতে গেলে তৃণমূলের প্রধান মাথার দিকেই আগে আক্রমণ শানাতে হবে। আর সেই কারণেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুর রীতিমত পাখির চোখ করে ফেলেছেন বিজেপি নেতারা। কখনও শুভেন্দু অধিকারী, কখনও সুকান্ত মজুমদারের মত নেতারা প্রতিনিয়ত সেই ভবানীপুরে গিয়ে একের পর এক কর্মসূচি করছেন। শুভেন্দুবাবু তো প্রতিনিয়ত বলছেন, এবার তিনি ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবেন। আর এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের তুলনা করে কেন ভবানীপুর নিয়ে বিজেপি এত সক্রিয়, তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন দিলীপ ঘোষ।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে রীতিমত সক্রিয় হয়ে উঠেছে গোটা বিজেপি। বিজেপি নেতৃত্ব এবার যেভাবেই হোক, বাংলার জয়ের জন্য রীতিমত তৎপর। তারা খুব ভালো মতোই জানে যে, পশ্চিমবঙ্গে এবার তারা প্রচুর আসনে জয়লাভ করবে। কিন্তু এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যাকে সামনে রেখে ভোটে লড়ে গোটা তৃণমূল কংগ্রেস, সেই মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রকেও নিজেদের কাউন্টের মধ্যে রাখতে চাইছে গেরুয়া শিবির। আর যাই হোক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও যে পরাজিত করা যায়, তা ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি দাবি করছেন যে, নন্দীগ্রামের মত ভবানীপুরেও এবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে পরাজিত করবেন। আর এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে যেমন ঘরে ঢুকে অ্যাটাক করা হয়েছে, ঠিক তেমনই এই রাজ্যের যিনি প্রধান মাথা, তৃণমূল দলের যিনি নেত্রী, তাকে তার ঘরে ঢুকেই পরাজিত করবে বিজেপি বলেই দাবি করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই তিনি বলেন, “যদি শত্রুকে ঘায়েল করতে হয়, তাহলে ঘরে ঢুকে করতে হয়। পাকিস্তানকে আমরা ঘরে ঢুকে মেরেছি। সেরকম এখানেও পাকিস্তানের মত অরাজকতা চালু করে দিয়েছে টিএমসি। তাই তাদের যে মাথা, সেখানেই আঘাত করতে হবে। এটা বিজেপি প্রমাণ করে দিয়েছে যে, মমতা ব্যানার্জি অপরাজেয় নন। তিনি যদি নন্দীগ্রামে হারতে পারেন, তাহলে তিনি ভবানীপুরেও হারতে পারেন। আর সেটা বিজেপিই হারাবে।”
