Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

গীতাপাঠের পাল্টা কোরান পাঠ! মৌলবাদীদের আস্ফালনে অশনি সংকেত দেখছেন শুভেন্দু!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই পশ্চিমবঙ্গের বুকে মন্দির বা মসজিদ করতে কারোরই আপত্তি নেই। কিন্তু যদি বাবরের নামে মসজিদ হয়, তাহলে অবশ্যই সকলের আপত্তি আছে ভারতবাসী হিসেবে। কেননা এই ভারতে আক্রমণ করেছিল বাবর। ফলে তার নামে কেন মসজিদ করতে হবে, তা নিয়ে হুমায়ুন কবীরের উদ্যোগের পর এই প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে বিজেপিও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। তবে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করলেও, যেভাবে পুলিশ প্রোটেকশন দিয়ে তাকে এই মসজিদ শিলান্যাসে সহযোগিতা করা হয়েছে, তাতে রাজ্যের সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এবার ৫ লক্ষ কণ্ঠে ব্রিগেডে গীতা পাঠের দিনেই যেভাবে ১ লক্ষ কন্ঠে কোরান পাঠের কথা বলা হলো, যেভাবে হুমায়ুন কবীর দর্পের সহকারে সেই কথা বললেন, এবার তা নিয়ে ভয়ংকর অশনি সংকেত দেখতে পাচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

ইতিমধ্যেই বাবরের নামে মসজিদের যে শিলান্যাস হুমায়ুন কবীর করেছেন, তাকে খুব একটা ভালো চোখে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। কেন বাবরের নামেই মসজিদ করতে হবে? কেন এই উগ্র মৌলবাদী সত্ত্বাকে মাথাচাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে শুধু তাই নয়, এক ধাপ এগিয়ে যেদিন ৫ লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠ হয়েছে, সেদিনই কেন ১ লক্ষ কন্ঠে কোরান পাঠের ঘোষণা করতে হবে, সেই বিষয় নিয়েও নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। আর এবার সেই বিষয়েই গর্জে উঠলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “গীতা পাঠের মত পবিত্র ধর্মীয় কার্যক্রমকে যেভাবে আরও একটি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় গ্রন্থকে দিয়ে কাউন্টার করার কথা বলা হয়েছে, এটা ধর্মীয় সহাবস্থান বলে না। স্বামী বিবেকানন্দের ভাষায়, নিজ ধর্মে আস্থাশীল, অপর ধর্মে শ্রদ্ধাশীল, এর মানে তা হয় না। যদি কালকের পরে কেউ ইসলাম ধর্ম মানেন, তারা আলোচনা করে মৌলবীরা বলতেন যে, আমাদেরও মনে হয়, আমাদের ধর্মীয় গ্রন্থ একটা বড় করে পাঠ করা উচিত, তাহলে সেটা হতো। কিন্তু গীতা পাঠের কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই ফেব্রুয়ারি প্রথম সপ্তাহে আমরা পাঠ করবো, এই যে হুমায়ুন কবিরের ভাষা, এটা তো মহম্মদ আলি জিন্নাদের মত ভাষা বেরোচ্ছে। এ তো হুংকার, চ্যালেঞ্জ এবং বলছেন, মাংস খাইয়ে করবো। কি বলতে চাইছেন, সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে। এটা ভীষণ ডেঞ্জারাস। আর সরকার এটা দেখছে, এটাই দুর্ভাগ্যের। এইসব কারণে অশনি সংকেত পশ্চিমবঙ্গের জনগণ দেখছেন।”

Exit mobile version