প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- জ্ঞানেশ কুমারের প্রতি তৃণমূল কতটা অসভ্যতা প্রদর্শন করেছে, তা অতীতেও দেখতে পাওয়া গিয়েছে। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর থেকে বেরিয়ে সেই জ্ঞানেশ কুমার সম্পর্কে যা ইচ্ছে তাই বলেছেন। এমনকি তৃণমূল নেতারা তো প্রতিনিয়ত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনার সম্পর্কে যা ইচ্ছে তাই মন্তব্য করেন। তবে সেই জ্ঞানেশ কুমার সহ নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ গতকাল রাজ্যে এসেছে। আর রাতেই তাদের গো ব্যাক স্লোগান এবং কালো পতাকা দেখানো হয়। এমনকি আজ যখন সেই জ্ঞানেশ কুমার কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যান, তখনও কিছু মানুষ এসে তাকে গো ব্যাক স্লোগান দিতে শুরু করেন। তবে এই সমস্ত মানুষরা যে তৃণমূলেরই ফিট করা মানুষ এবং তাদের কথাতেই যে এই বিক্ষোভ দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমারকে বিব্রত করা হচ্ছে, তা বুঝতে বাকি নেই বিশেষজ্ঞদের। আর এবার গোটা ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের এখন একটাই চিন্তার কারণ, এসআইআর। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে যে, তারা আর ক্ষমতায় আসছে না। তাই শেষ চেষ্টা করতে এখন দেশের নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করার রাস্তা বেছে নিয়েছে তারা। জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূল এমন কিছু লোককে ফিট করে রেখেছে, যাতে তারা জ্ঞানেশ কুমারের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। আর তাতে তিনি অস্বস্তিতে পড়েন। কিন্তু দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার যে এই সমস্ত বিক্ষোভের মুখে পড়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত নন, তা আজ স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। তবে তৃণমূলের মধ্যে যে বিন্দুমাত্র সৌজন্যতা এবং ভদ্রতা নেই, তা বিরোধীরা জানে। তাই জ্ঞানেশ কুমারকে পরপর বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো নিয়ে তৃণমূলকে মুখের মত জবাব দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই জ্ঞানেশ কুমারের প্রতি যেভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে, তা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে শুভেন্দুবাবু বলেন, “এই বিষয়ে বলার কিছু নেই। এটা তো একটা ইতরদের পার্টি। অসভ্য, বর্বর। তাদের কাজ তারা করছে। কুকুরের কাজ মানুষের পায়ে কামড়ানো। মানুষের কাজ তো কুকুরের পায়ে কামড়ানো নয়।”
