প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বিধানসভা নির্বাচনের আগে আজ শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে যে রায় সামনে এলো, তাতে যেন মুখ থুবড়ে পড়ল রাজ্য সরকারের। সকলেই আজ শীর্ষ আদালতের ডিএ মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সেই রায় কাদের পক্ষে যাবে, তার জন্য উদগ্রীব ছিলেন সরকারি কর্মচারীরাও। অবশেষে রাজ্যের বিরুদ্ধেই রায় গিয়েছে। যেখানে অতি দ্রুত বকেয়া ২৫ শতাংশ মহার্ঘভাতা মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। শুধু তাই নয়, আরও যে বকেয়া ৭৫ শতাংশ মহার্ঘভাতা রয়েছে, তা মিটিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আর এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই বিধানসভার বাইরে রীতিমত উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একেবারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে “হেরেছে হেরেছে, মমতা হেরেছে* বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। শুধু তাই নয়, এবার যে রায় সামনে এসেছে, তাতে আর পালানোর কোনো জায়গা নেই এই তৃণমূল সরকারের বলেও দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে অনেকবার দাবি করেছেন যে, সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। এমনকি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে যারা মহার্ঘ ভাতা পাওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গেও নৈতিকভাবে থেকেছেন তিনি। আর আজ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাতে রীতিমত চাপে পড়ে গেল রাজ্য সরকার। এমনিতেই এই রাজ্যের কোষাগারের অবস্থা খুব খারাপ বলেই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগও তোলেন তিনি। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বিধানসভা ভোটের আগে যে নির্দেশ শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে দেওয়া হলো, তা যদি এই রাজ্য সরকার পালন না করে, তাহলে তাদের বড়সড় বিপদের মুখে পড়তে হতে পারে। আর তাই আজ শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে সোচ্চার হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই এই মহার্ঘভাতা নিয়ে শীর্ষ আদালতের যে নির্দেশ, তাকে স্বাগত জানান তিনি। বিধানসভার বাইরে স্লোগান দিতে দিতে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “হেরেছে হেরেছে, মমতা হেরেছে।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা রাজ্যের কাছ থেকে কান মুলে আদায় করবে ভারতবর্ষের সর্বোচ্চ আদালত। নজরদারি করার জন্য তিনজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এবং ক্যাগের কমিটি করে দিয়েছে। মমতা ব্যানার্জির পালানোর আর কোনো রাস্তা নেই।”
