Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“হিন্দুরা শিক্ষা নিন, মমতাকে না সরালে অনেক এলাকা ঔরঙ্গজেবের নামে করবে” সোচ্চার শুভেন্দু!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বর্তমানে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করে ২০২৬ এর নির্বাচনী বৈতরনী পার হতে চাইছে বিরোধী দল বিজেপি। সংখ্যালঘুদের ভোট তারা চাইলেও, সংখ্যালঘুদের অনেকেই যে তাদের ভোট দেয় না, তা আফসোসের সুরে এর আগেও উল্লেখ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে রাষ্ট্রবাদী যে সমস্ত সংখ্যালঘু মানুষরা রয়েছেন, তাদের বারবার করে বিজেপি নেতারা নিজেদের দিকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। আর এসবের মধ্যেই আজ রাজ্যে হুমায়ুন কবীর বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছেন। প্রশ্ন উঠছে যে, তৃণমূল হয়তো তাকে সাসপেন্ড করেছে। কিন্তু তলায় তলায় তৃণমূলের পক্ষ থেকেই এটাকে সমর্থন করা হচ্ছে না তো? কেননা যে রাজ্যে বিরোধীরা সামান্য কোনো কর্মসূচি করতে গেলে তাদেরকে পুলিশ দিয়ে বাধা দেওয়া হয়, সেখানে বাবরের মত মানুষের নামে মসজিদ হচ্ছে, তার শিলান্যাস করা হচ্ছে, আর সেখানে পুলিশকে দিয়ে পরোক্ষে থেকে কি তার অনুমোদন দিচ্ছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী? ইতিমধ্যেই সেই প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি এই ঘটনাকে সামনে রেখে হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী দিনে এই সরকার এবং তৃণমূল দলকে না সরালে যে বড় বিপদের সম্মুখীন হতে হবে, সেই কথাও উল্লেখ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

ইতিমধ্যেই বাবরের নামে মসজিদের প্রবল বিরোধিতা করছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী বারবার করে জানিয়েছেন যে, মসজিদ হলে তাদের আপত্তি নেই। কিন্তু যে বাবর বারবার ভারতকে আঘাত করেছে, ভারতের শত্রু, তার নামে কেন মসজিদ করা হবে? আর তৃণমূল হয়ত হুমায়ুন কবীরকে লোক দেখানো সাসপেন্ড করছে। কিন্তু পরোক্ষে হুমায়ুন কবীরের এই কর্মসূচিতে যেভাবে পুলিশ দিয়ে দেওয়া হলো, তাতে কি তারা এই কর্মসূচিকে সহযোগিতা করছে না? তাই তৃণমূলের এতদিন বিধায়ক থাকা হুমায়ুন কবীরের এই কর্মসূচি যে হিন্দু সনাতনীদের পক্ষে কতটা বিপদ ডেকে আনতে পারে, সেই কথা স্মরণ করিয়ে এই রাজ্যের বর্তমান শাসক দলকে ২৬ এই বিদায় দেওয়ার আহ্বান জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পাশাপাশি তৃণমূল সরকার যদি ক্ষমতায় ফিরে আসে, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলার জন্য বড় বিপদ অপেক্ষা করছে বলেও উল্লেখ করলেন তিনি।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মমতা ব্যানার্জিকে না সরান, তাহলে অনেক এলাকার নাম আগামী দিনে ঔরঙ্গজেবের নামে করবে। শাহজাহানের নামে করবে, হুমায়ুনের নামে করবে, বাবরের নামে করবে, আকবরের নামে করবে। তাই হিন্দুরা আজ বেলডাঙার ঘটনা দেখে শিক্ষা নিন। আজকে মমতার আমলে মোগলদের বীজ পোঁতা হলো, ৫০০ পুলিশের প্রোটেকশনে।”

Exit mobile version