Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত: বাংলায় স্বাস্থ্য বিপ্লব! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর উদ্যোগে এবার মিলবে বিনামূল্যে চিকিৎসা!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-পশ্চিমবঙ্গে জাতীয়তাবাদী আদর্শের নতুন সরকার গঠিত হতেই রাজ্যের উন্নয়ন ও পরিকাঠামোয় এক অভূতপূর্ব ও বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হলো। নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের ‘ডবল ইঞ্জিন’ সমন্বয়ের হাত ধরে দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্পের জট এবার পুরোপুরি কেটে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই সাধারণ মানুষের হিতার্থে এই বিরাট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নতুন বিজেপি (BJP) সরকার। এবার বাংলাজুড়ে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে তৈরি হতে চলেছে ছোট ছোট আধুনিক ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্র, যার পোশাকি নাম ‘আয়ুষ্মান মন্দির’। এই কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে সাধারণ মানুষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাবেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, নতুন মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বাংলার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করতে চলেছে।

গ্রামীণ প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শুরু করে শহরের সাধারণ মহল্লা—সর্বত্র গড়ে উঠবে এই ‘আয়ুষ্মান মন্দির’ বা হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার। সাধারণ মানুষকে আর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য শহরের বড় হাসপাতালে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি পোয়াতে হবে না। এই কেন্দ্রগুলিতে আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রাথমিক ওষুধ ও দক্ষ চিকিৎসকদের পরামর্শ সরাসরি হাতের নাগালে মিলবে। রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে প্রাথমিক শুশ্রূষা—সবটাই মিলবে এই এক ছাদের তলায়।

বিগত সরকারের আমলে নামকরণ বিতর্ক এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দিল্লি থেকে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসার ক্ষেত্রে বড়সড় সমস্যা তৈরি হয়েছিল, যার ফলে বঞ্চিত হচ্ছিলেন বাংলার সাধারণ মানুষ। কিন্তু রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার ক্ষমতায় আসতেই কেন্দ্র-রাজ্যের সম্পর্কের এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। বাংলার মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সবুজ সংকেত মিলেছে।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি মোদী সরকার ও রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের যৌথ প্রয়াসে আরও এক মেগা প্রকল্পের সুফল পেতে চলেছে বাংলা। গ্রামীণ বাংলার প্রতিটি ঘরে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য জলশক্তি মন্ত্রকের অধীনে রাজ্যকে ৩৯,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। রাজ্যের সড়ক পরিকাঠামোর ভোল বদলে দিতে পিডব্লিউডি (PWD) এবং ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটির (NHAI) মধ্যে উচ্চপর্যায়ের জোরদার বৈঠক চলছে।

আগামী শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সঙ্গে রাজ্য সরকারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, নতুন সরকারের সক্রিয়তায় ওই বৈঠকেই এই ‘আয়ুষ্মান মন্দির’ প্রকল্পগুলির চূড়ান্ত প্রশাসনিক অনুমোদন সিলমোহর পেতে চলেছে। নতুন মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে বাংলার বুকে সাধারণ মানুষের জন্য এই জনকল্যাণমূলক মহাযজ্ঞ শুরু হওয়া এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

Exit mobile version