প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানিতে তৃণমূল যথেষ্ট চাপে পড়েছে। তাদের যে মামলা, তার নিষ্পত্তি করে দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে আজ সুপ্রিম কোর্টে ইডির পক্ষ থেকে যে জোড়া পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল এবং যেখানে মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজ্যের একাধিক পুলিশ কর্তা এবং প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ রয়েছে, সেই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি রয়েছে। যার দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্যবাসী। সকলের একটাই প্রশ্ন যে, মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে এসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যখন তল্লাশি চালাচ্ছে, তখন সেখান থেকে বেশ কিছু নথি কি করে নিয়ে যেতে পারেন? কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না? স্বাভাবিকভাবেই আজ সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্যবাসী। আর এসবের মধ্যেই সেই মামলা নিয়ে আশা প্রকাশ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানিতে যে সওয়াল পর্ব চলেছে, তাতে রাজ্যের শাসক দল যথেষ্ট ব্যাক ফুটে পড়ে গিয়েছে। তারা দাবি করেছিল যে, তাদের নথি নাকি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। এক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক নথি নিয়ে গিয়েছেন। তাই তৃণমূল চাইলে সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করুক বলে ইডির আইনজীবী যে যুক্তি দিয়েছেন, তাতে রাজ্যের শাসক দল যথেষ্ট বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের মামলার নিষ্পত্তি করে দিয়েছে আদালত। আজ সুপ্রিম কোর্টে এই আইপ্যাক মামলার শুনানি রয়েছে, কি নির্দেশ দেবে দেশের শীর্ষ আদালত, কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কারও বিরুদ্ধে গ্রহণ করা হবে কিনা, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চা চলছে। আর তার মাঝেই সেই মামলা এবং তার ফলাফল নিয়ে আশাবাদী হয়ে পড়লেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই আজ সুপ্রিম কোর্টে এই আইপ্যাক মামলার শুনানি নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দিলীপবাবু বলেন, “আশা তো কোর্টের ওপরেই রাখতে হবে। শেষ ভরসা কোর্ট। আর এখানে কোনো প্রশাসন নেই। যিনি রক্ষক, তিনিই ভক্ষক। তাই কোর্টের কাছে গিয়েছে। আমরা আশা করবো, কোর্ট এই বিষয় ঠিকঠাক রায় দেবে, যাতে বাংলার মানুষের মনে উৎসাহ আসে। মানুষের ভরসা থাকে।”
