প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- গতকাল সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি ছিলো। কিন্তু সেখানে ইডির কারণে আবার সেই মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে। এর আগের দিন মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী অসুস্থ থাকার কারণে মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছিল। তবে আশা করা হয়েছিল যে, গতকাল সেই মামলার শুনানি হবে। কিন্তু ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তারা হলফনামা তৈরি করে ফেললেও অফিসিয়ালি ফাইল করতে পারেননি। তাই শুনানির দিন পিছিয়ে দেওয়া হোক। ফলে আবার মার্চ মাসের ১৮ তারিখ এই শুনানির দিন ধার্য করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। যে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন যে, ইডি যখন জানে যে, এই মামলার শুনানি সঠিকভাবে হলে মুখ্যমন্ত্রী সহ অনেককেই বিপাকে ফেলা যাবে। সেখানে কেন তারা এত টালবাহানা করছে? আদৌ কি তারা এই মামলা নিয়ে সিরিয়াস? নাকি ভেতরে ভেতরে সেটিং হয়ে গিয়েছে? আর এই সমস্ত প্রশ্নের মাঝেই এবার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
আইপ্যাক মামলার শুনানির দিকে গোটা রাজ্যের মানুষের তো বটেই, গোটা দেশের মানুষের নজর রয়েছে। যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছে যান এবং বেশ কিছু নথি নিয়ে আসেন, তারপর প্রত্যেক মহলে প্রশ্ন উঠেছিল, কেন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে চলে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু গতকাল যে ঘটনা আদালতে ঘটে গেল, তারপর ইডির ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। সকলেই বিরক্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে। আর তার মধ্যেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আবার দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নাকি নিজেই সিরিয়াস নয়, এই মামলা নিয়ে। যার ফলে আরও জলঘোলা হয়েছে পরিস্থিতি। আর এই পরিস্থিতিতে এবার গোটা বিষয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই আইপ্যাক মামলার শুনানি যেভাবে পিছিয়ে গেল, তাতে ইডি আদৌ কি সিরিয়াস, তা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। এমনকি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন করা হয় সুকান্তবাবুকে। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি সুপ্রিম কোর্টের অত বড় আইনজীবী, যে, ওনার বক্তব্য নিয়ে আদৌ কি কথা বলা উচিত? ওনার এলএলবি সার্টিফিকেটটা বাংলার না বিহারের, আগে সেটা বলুক। তারপরে আমরা আলোচনা করবো। আর যে মামলা পিছিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন, এটাও হতে পারে যে, ইডি বেশি সিরিয়াস। আপনারা ভাবুন। ইডির প্রশাসনিক স্তরে কি চলছে, সেটা তো আমরা বলতে পারব না। সেটা ইডি বলতে পারবে।”
