Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“যত কচলাবে, তত তেতো হবো” মমতার বিদায় ঘন্টা বাজালেন হুমায়ুন!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যার কারণে শুভেন্দুবাবু সহ বিজেপির যে সমস্ত নেতারা চোখে চোখ রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই আন্দোলন করেন এবং তার গোপন তথ্য ফাঁস করে, দেন, তাদের যেভাবেই হোক জব্দ করার চেষ্টা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী করে এসেছেন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রশাসনের মিথ্যা মামলা যে ধোপে টেকেনি, তা বারবার করে বুঝিয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতারা। আর শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবথেকে বেশি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তারই দলের টিকিটে একসময় বিধায়ক হিসেবে জিতে আসা হুমায়ুন কবীর। মুখ্যমন্ত্রীর সাধের সংখ্যালঘু ভোট যে এবার তার দিকে থাকবে না, হুমায়ুনবাবু নতুন দল যেভাবে গঠন করেছেন এবং যেভাবে তিনি প্রচার করছেন, তাতে যে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হয়ে যেতে পারে এবং এই ভোট ভাগ হয়ে গেলে যে তৃণমূলের ক্ষমতায় ফেরার আরওই কোনো সম্ভাবনা নেই, তা বুঝতে পেরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখন পুলিশকে দিয়ে আবার প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু হয়ে গিয়েছে বলেই বুঝিয়ে দিলেন হুমায়ুন কবীর। এতদিন ধরে তার পরিবারকে কোনোরূপ অসুবিধের মুখে কেউ ফেলতে পারেননি। কিন্তু যে তিনি দল পরিবর্তন করে নতুন দল গঠন করলেন এবং সংখ্যালঘুদের একত্রিত করার চেষ্টা করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাপে রাখার চেষ্টা করছেন, ঠিক তখনই তার পরিবারকে সব রকম ভাবে বিব্রত করতে চেষ্টা শুরু হয়ে গেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে। ইতিমধ্যেই তার স্ত্রীকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আর সেই ঘটনা নিয়েই এবার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে দিলেন ভরতপুরের বিধায়ক।

হুমায়ুন কবীর তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করার পাশাপাশি নতুন দল গঠন করে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি এবার চোখে চোখ রেখে লড়াই করবেন। এমনকি বিরোধীরাও মনে করছেন যে, এবার সংখ্যালঘু ভোট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে থাকবে না। যেভাবে হুমায়ুন কবীর নতুন দল গঠন করেছেন, তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই চেষ্টা করুন, হিন্দুদের ভোট তো আগেই তার দিক থেকে তিনি হারিয়ে ফেলেছেন। এখন মুসলিমদের ভোটও তিনি সেভাবে পাবেন না। আর সেই ভোট ভাগাভাগি হয়ে গেলে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, তা শাসক দলের অনেক নেতারাও বুঝতে পারছেন। আর এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে যখন পুলিশের পক্ষ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তখন এই সমস্ত আচরণ যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়, তার স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান।

এদিন তার স্ত্রীকে নোটিশ পাঠানো নিয়ে সাংবাদিকদের তরফে প্রশ্ন করা হয় হুমায়ুন কবীরকে। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার স্ত্রীকে নোটিশ পাঠানোর আগেই কলকাতা নিউজ চ্যানেলগুলো জানিয়ে দিচ্ছে যে, নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই আপনারাও বুঝতে পারছেন যে, কোথায় কিভাবে কি চলছে। এসব করে হুমায়ুন কবীরকে ভয় দেখানো যাবে না। হুমায়ুন কবীরকে যত কচলাবে, ততই তেতো হবে। আর হুমায়ুন কবীর বাংলার মসনদ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় ঘন্টা বাজাবে।”

Exit mobile version