Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“যতই উপহাস করুন, এবার বাংলা দখল হচ্ছেই” মমতার চিন্তা বাড়িয়ে আত্মবিশ্বাসী অমিত শাহ!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
তিনি শুধুমাত্র বিজেপির নেতা নন। বর্তমানে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও স্বীকার করে নেন যে, তিনি ভারতবর্ষের রাজনৈতিক চাণক্য। একের পর এক রাজ্যে পদ্মফুল ফোটাতে তার মস্তিষ্কের ওপর নির্ভর করেই বাজিমাত করেছে বিজেপি। তবে ২০২১ সালে কিছুটা হলেও তিনি প্রেস্টিজের মুখে পড়ে গিয়েছিলেন। যাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল মাঝেমধ্যেই বলে যে, অমিত শাহ অন্যান্য রাজ্য দখল করার চেষ্টায় সফল হলেও, বাংলা দখল করতে পারবেন না। ২০২১ এও তিনি ২০০ পার বলে স্লোগান দিয়েছিলেন। কিন্তু ৭৭ এই আটকে গিয়েছে বিজেপি। তবে এবারেও যদি তৃণমূল ভেবে নেয় যে, এই সমস্ত কথা বলে অমিত শাহের যে টার্গেট, তাকে তারা বানচাল করবেন, তাহলে এই রাজ্যের শাসক দল যে মূর্খের স্বর্গে বাস করছে এবং এবার যে কোনোভাবেই তার টার্গেট মিস হবে না, তা আজ ব্যারাকপুরের সভা থেকেই আত্মবিশ্বাসের সুরে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

সামনেই ২০২৬ এর নির্বাচন। আর এবারের লড়াইয়ে বিজেপি খুব ভালো মতই জানে যে, এবার যদি পশ্চিমবঙ্গ দখল করা না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে আর কোনোদিন সেই সম্ভাবনা তৈরি হবে না। তাই তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে এবার তারা শেষ লড়াইটা দিচ্ছে। তবে তৃণমূল অবশ্য দাবি করছে যে, এর আগেও অমিত শাহের মস্তিষ্কের ওপর ভর করে বিজেপি বাংলা দখল করার চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০০ পার হওয়ার স্লোগান দিয়েও তারা ৭৭ এই আটকে গিয়েছে। তাই এবারও তেমন কিছু হবে না। আর এই নিয়ে মাঝেমধ্যেই অমিত শাহ সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কটাক্ষ করতেও দেখা গিয়েছে তৃণমূল নেতাদের। কিন্তু তৃণমূলের সেই কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে আজ ব্যারাকপুর থেকে পাল্টা বড় মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এদিন ব্যারাকপুরের কর্মীসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের সমস্ত কটাক্ষের জবাব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “আমায় পরিহাস করেন। মমতাদি মাথায় রাখবেন, রামসেতু যখন হয়েছিল, রাবণও পরিহাস করেছিল যে, আমায় কেউ হারাতে পারবে না। ২০২৪ সালে আমরা ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৭৭ টি আসন পেয়েছে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার ৩৮ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশে লাফ দেবে বিজেপি। অর্থাৎ একবার তার টার্গেট মিস হয়ে গেলেও এবং তৃণমূল তা নিয়ে যতই উপহাস করুক না কেন, এবার যে বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন হচ্ছেই, তা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তুলে ধরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘুম কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version