Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ: কালীঘাটে ধুন্ধুমার! শুভেন্দুকে ঘিরে ‘চোর’ স্লোগান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের লাঠিচার্জ!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় বুধবার উত্তাল হয়ে উঠল ভবানীপুর কেন্দ্রের কালীঘাট এলাকা। বুথ পরিদর্শনে গিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয় ‘চোর-চোর’ স্লোগান, যার জেরে রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে জয়হিন্দ ভবন সংলগ্ন এলাকা।

এদিন শুভেন্দু অধিকারী কালীঘাট রোড ও হরিশ মুখার্জি রোডের সংযোগস্থলে পৌঁছালে তৃণমূল সমর্থকেরা তাঁর কনভয় আটকে দেয়। তাঁকে দেখে মুহুর্মুহু ‘চোর-চোর’ এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে দেখে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি নির্বাচন কমিশন ও সিআরপিএফ-কে ফোন করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তাঁর ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে এবং এলাকায় প্রচুর বহিরাগত জমায়েত করা হয়েছে যারা ওই কেন্দ্রের ভোটার নয়।

ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছান তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মুখ্যমন্ত্রীর ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি শুভেন্দুর অভিযোগ নস্যাৎ করে পাল্টা দাবি করেন যে, বিজেপি নেতা বুথে বুথে ঘুরে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন এবং অযথা এলাকায় উত্তেজনা ছড়াচ্ছেন।

এদিকে শুভেন্দুর ফোনের মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করলে জয়হিন্দ ভবনের সামনে চরম বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে।

বুধবার সকাল ১১টা পর্যন্ত ভবানীপুরে প্রায় ১৭.২৮% ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে। দুপুর ১টা নাগাদ এই হার আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনার পর থেকে কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোড চত্বরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে এলাকা থমথমে হলেও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে।

ভবানীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় হিসেবে পরিচিত। এবারের নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী বনাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই লড়াইকে ‘নন্দীগ্রামের রি-ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Exit mobile version