Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“কালীপুজোর সময় আদালতের অনুমতি, কিন্তু নামাজের সময়….” তুষ্টিকরন নিয়ে কড়া আক্রমণ নীতিন নবীনের!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোষনের রাজনীতির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। বারবার করে বিরোধীরা অভিযোগ তোলে যে, তৃণমূল সরকার একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে তোষণ করতে ব্যস্ত। যার কারণে হিন্দুদের নিরাপত্তা এই রাজ্যে বিঘ্নিত। তাই ২৬ এর নির্বাচনকে পাখির চোখ করে হিন্দু ভোট একত্রিত করতে রীতিমত ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। গতকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে শুরু হয়েছে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। আর কোচবিহারে সেই পরিবর্তন যাত্রা থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশকারীদের মদত দেওয়ার মত অভিযোগ তুলে সোচ্চার হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতীন নবীন।

যে কোনো মুহূর্তে নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে যাবে। তবে বিজেপি গতকাল থেকেই সরাসরি মানুষের সঙ্গে নির্বাচনকে পাখির চোখ করে প্রচার প্রক্রিয়া এবং জনসংযোগে নেমে পড়েছে। রাজ্যের চার প্রান্ত থেকে শুরু হয়েছে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। আর সেই কর্মসূচি থেকেই কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য স্তরের নেতারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক মন্তব্য করে আক্রমণ শানাতে শুরু করেছেন। বিজেপির মত দলের সর্বভারতীয় সভাপতি দায়িত্ব পাওয়ার পরেই প্রথম তার রাজ্য সফর বাংলা দিয়ে শুরু করেছিলেন নীতিন নবীন। আর গতকাল কোচবিহারে সেই পরিবর্তন যাত্রা থেকে তৃণমূলের প্রতি মানুষ যে কারণে সব থেকে বেশি বিরক্ত, যে কারণে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে এখানে মদত দিয়ে হিন্দুদের আচার অনুষ্ঠানে প্রতিমুহূর্তে বাধাদান করা হচ্ছে, সেই বিষয়টিকেই তুলে ধরে তৃণমূলের চাপ বাড়িয়ে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

সূত্রের খবর, এদিন কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রায় বক্তব্য রাখেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতীন নবীন। যেখানে তিনি বলেন, “যে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় স্থান দেওয়া হয়েছিল, তাদেরকে এখন বাংলা থেকে বের করে দেওয়ার সময় এসে গিয়েছে। কালীপুজোর জন্য আদালতের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু নামাজের সময় স্বতন্ত্রতা ছেড়ে দেওয়া হয়। এটাতেই স্পষ্ট, এখানে কি হচ্ছে। বাংলাকে তুষ্টিকরণের মানসিকতা থেকে মুক্তি দিতে হবে। বাংলায় জমি ফেন্সিংয়ের জন্য চাওয়া হলে জমি থাকে না। কিন্তু এখানে যদি বলা হতো, তুষ্টিকরণের রাজনীতির জন্য জমি লাগবে, তাহলে রেড কার্পেট বিছানো থাকতো।”

Exit mobile version