Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতেই থরথর করে কাঁপছে তৃণমূল? ঝাঁটাপেটা করার নিদান মমতার বিধায়কের!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এসআইআর শুরু হওয়ার আগেও তৃণমূল কংগ্রেস বহু চমক, ধমক দিয়েছিল। এমন একটা ভাব জেলায় জেলায় তৃণমূল নেতারা করতে শুরু করেছিলেন যে, তারা নাকি এসআইআর করতেই দেবেন না। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে আগামীকাল ফাইনাল ভোটার লিস্ট প্রকাশ হওয়ার কথা। আর সেই ভোটার লিস্টে, যে প্রচুর অবৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে, তা স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝতে পারছেন। যার ফলে তৃণমূলের চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে। আর এই পরিস্থিতিতে এবার আজ থেকেই যখন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে যাওয়ার কথা, ঠিক তার আগেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মন্ডল। তার বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি এত আগে এসে কোনোরকম প্ররোচনা দেয় বা সাধারণ মানুষকে বিরক্ত করে, তাহলে তাদের ঝাঁটাপেটা করার জন্য তৈরি থাকবেন গ্রামের মহিলারা। আর তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

এই রাজ্যে যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে না এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে গেলে যে একাধিক পদক্ষেপ নিতে হবে, তা বুঝতে পেরেছে নির্বাচন কমিশন। আর সেই কারণেই ভোটের ঘন্টা এখনও পর্যন্ত ঘোষণা না হলেও আজ থেকেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জেলায় জেলায় তাদের মোতায়েন করা হবে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের আতঙ্ক যে এবার বাড়তে শুরু করবে, যে সমস্ত দুষ্কৃতীদের দিয়ে ভোটের আগে তৃণমূল ভয় দেখানোর কাজ করে, এবার যে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে তারা আর সেই কাজ করতে পারবে না, তা বুঝতে পেরেছে এই রাজ্যের শাসক দল। আর সেই বিষয়টি উপলব্ধি করেই কি এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাল্টা ভয় দেখানোর জন্য তৃণমূল বিধায়কের এই ধরনের মন্তব্য? যেখানে মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী, সেখানে সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই পাল্টা ঝাঁটাপেটা করার নিদান দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়ে গেলেন শ্যামল মন্ডল।

সূত্রের খবর, এদিন এক সংবাদমাধ্যমের তরফে তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মন্ডলকে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার আগেই রাজ্যে আসা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি কোথাও কোনোভাবে বিরক্ত করার চেষ্টা করে, যদি মানুষকে বিব্রত করে, তাহলে তাদের গ্রামের মহিলারা ঝাঁটাপেটা করার জন্য তৈরি রয়েছে।” আর একজন জনপ্রতিনিধি যেভাবে এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখলেন, তাতে রীতিমত প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। তাদের বক্তব্য, এবারের নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হবে না। নির্বাচন কমিশন তাই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই সাধারণ মানুষের মনে ভয়, ভীতি দূর করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে পাঠাচ্ছে। আর তাতেই ভয় পেয়ে এখন তৃণমূল নেতা থেকে শুরু করে বিধায়করা এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার চেষ্টা করছেন। তবে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। এবারের নির্বাচন তৃণমূলের বিসর্জন বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের।

Exit mobile version