প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সব সময় সব ব্যাপারেই ক্রেডিট নিতে অভ্যস্ত। কথায় কথায় তিনি দাবি করেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের জন্য কিছুই করছে না। বাংলাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। গতকাল কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের পরেও তিনি এই কথা বলেছিলেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার এবারের বাজেটে বাংলার জন্য একাধিক ঘোষণা করলেও, সেক্ষেত্রেও তিনি নিজে ক্রেডিট নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। অন্তত তেমনটাই দাবি করছে বিজেপি। যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের এবারের বাজেটে ফ্রেট করিডরের ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করছেন যে, তিনি রেলমন্ত্রী থাকার সময় এই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। আর মুখ্যমন্ত্রী এই ব্যাপারেও ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করলেও, পাল্টা তাকে ধুয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
গতকাল কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়েছে। যেখানে বাংলার জন্য একাধিক ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করছে যে, বাংলাকে নাকি বঞ্চিত করা হয়েছে। তবে তৃণমূল এটাও অস্বীকার করতে পারছে না যে, বাংলার জন্য কিছুই ঘোষণা করা হয়নি। যে ফ্রেট করিডরের ঘোষণা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করছেন যে, তিনি রেলমন্ত্রী থাকার সময়ই নাকি এই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। আর সব ব্যাপারেই মুখ্যমন্ত্রীর এই বাড়তি ক্রেডিট নেওয়ার যে চেষ্টা, তাকেই এবার প্রশ্নের মুখে ফেলে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তার পাল্টা প্রশ্ন, যদি ঘোষণা হয়েই থাকে, তাহলে তার বাস্তবায়ন হয়নি কেন?
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই ফ্রেট করিডর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর যে দাবি, তা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সুকান্তবাবু বলেন, “এটা তো নতুন কিছু নয়। উনি সবকিছুই ঘোষণা করে গিয়েছেন। উনি এরপরে বলবেন যে, বাবর আসবে, আমি সেটাও ঘোষণা করে গিয়েছিলাম। উনি এটাও বলতে পারেন যে, এআই আসবে, এটা আমি অমুক সালে আমার পিএইচডিতে লিখেছিলাম। যে পিএইচডিটা খুঁজে পাওয়া যায় না। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে হয়নি কেন? উনি রেলমন্ত্রী থেকে সরে যাওয়ার পর ওনার দলের দুইজন তাবড় তাবড় নেতা মুকুল রায় এবং দীনেশ ত্রিবেদী রেলমন্ত্রী ছিলেন, তারাও করতে পারেননি কেন? উনি ঘোষণাটাই করে গিয়েছেন। আর কিছু করেননি।”
