প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- সম্প্রতি এই রাজ্যের বুকে যে ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তা শুধু রাজ্যের জন্য নয়, গোটা দেশের কাছে অত্যন্ত লজ্জার। যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি আসার পরেও তাকে স্বাগত জানাতে যান না, এমনকি মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য পর্যন্ত যান না, সেখানে রাষ্ট্রপতির হতাশ হওয়াটা স্বাভাবিক। উল্টে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সেই রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানস্থল বদল করা নিয়েও তিনি উস্মা প্রকাশ করেছেন। আর রাষ্ট্রপতির এই ধরনের অপমানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যেখানে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছিল। গতকাল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই রাজ্য রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছে। তবে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে যে, তাহলে কি এবার আরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে এই রাজ্যের বিরুদ্ধে? যেখানে রাজ্যের মুখ্য সচিবের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি গ্রহণের মত ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র? যেখানে রাষ্ট্রপতির এত বড় অপমান হয়ে গেল, তারপরেও কি কেন্দ্রীয় সরকার চুপচাপ বসে থাকবে? আর এসবের মধ্যেই আজ বড় দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
অতীতেও দেখা গিয়েছে যে, এই রাজ্যের মুখ্যসচিব তখন ছিলেন আলাপন বন্দোপাধ্যায়, আর সেই সময় কলাইকুন্ডাতে যে ঘটনা ঘটেছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে তার থেকেও তো জঘন্য কাজ এবার হয়েছে। যেখানে রাষ্ট্রপতি নিজে এসে প্রশাসনের বিরুদ্ধে খুব উগড়ে দিয়েছেন, যেখানে তার এত বড় অপমান হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্র যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে রাজ্যের মানুষ কেন্দ্রের প্রতিও যে বিরক্ত হবে, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। সকলের মধ্যে একটাই প্রশ্ন যে, কেন্দ্রীয় সরকারকে এবার এমন পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে রাজ্য ভবিষ্যতে এইরকম কাজ করার আগে দুবার ভাবে। অনেকেই বলছেন, কেন্দ্রীয় সরকার যদি রাজ্যের পাঠানো রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। আর সেই বিষয় নিয়েই এবার বড় দাবি জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আর সেখানেই তিনি বলেন, “সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে যে কান্ডটা করা হয়েছে, আমি তো জানতে চাইছি, কেন নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজিপি, দার্জিলিংয়ের ডিএম এবং শিলিগুড়ি সিপিকে সাসপেন্ড করা হয়নি? এই একই কাজ তো ২০২১ সালে কলাইকুন্ডাতে করেছিলেন। আমাকে ডাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করেছিলেন। মানুষ সব দেখছে। এই সরকারকে পরিবর্তন করতে হবে।”
