Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

কেষ্টপুরে ধুন্ধুমার! তরুণজ্যোতির পুজোয় হঠাৎ হাজির মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু! তারপর যা ঘটল…..

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-গণেশ চতুর্থীর পুণ্যলগ্নে কলকাতার বুকে ঘটে গেল এক অভূতপূর্ব ও হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক চমক।রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তেওয়ারির উদ্যোগে আয়োজিত কেষ্টপুরের মেগা গণেশ উৎসবের গ্র্যান্ড উদ্বোধন করতে আজ, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে সেখানে সশরীরে হাজির হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মণ্ডপে পৌঁছানো মাত্রই গোটা এলাকা জুড়ে তীব্র উন্মাদনা তৈরি হয়। ঢাকের আওয়াজ এবং শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান উদ্যোক্তারা।

মণ্ডপ উদ্বোধনের পর এক বিশাল জনসভা থেকে নাম না করে বিগত বাম ও তৃণমূল জমানাকে বেনজির ভাষায় নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, গত কয়েক দশক ধরে বাংলার সনাতনী সংস্কৃতি ও উৎসবের রূপ বদলে দেওয়ার একটা পরিকল্পিত চেষ্টা চালানো হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারী কড়া সুরে বলেন, “বাম শাসনের ৩৪ বছর এবং তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনকালে ইচ্ছাকৃতভাবে সনাতনী সংস্কৃতির ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলি, নবমীর আরতি থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুর খেলা এবং নিরঞ্জনের মতো দুর্গাপুজোর চিরন্তন আচার-অনুষ্ঠানের পরম্পরাকে ধীরে ধীরে বদলে দেওয়ার একটা চক্রান্ত চলছিল। অতীতে পিতৃপক্ষের সময়ও দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়েছে। তবে এবার আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছি, মহালয়া অর্থাৎ দেবীপক্ষের দিন থেকেই মণ্ডপের উদ্বোধন হবে।” গণপতি বাপ্পা এবং ছটপুজো যে সব সনাতনীদেরই উৎসব, তা মনে করিয়ে দিয়ে এদিন বাঙালি-অবাঙালি বিভেদ ঘোচানোর কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক তরুণজ্যোতি তেওয়ারির এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। কেষ্টপুরের এই মণ্ডপে এদিন সকাল থেকেই তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ভিড় সামলাতে ও ভিআইপি প্রটোকল বজায় রাখতে গোটা কেষ্টপুর ভিআইপি রোড সংলগ্ন এলাকায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রদীপ জ্বালিয়ে ও আরতি করে বিঘ্নহর্তা গণেশের পুজো করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

Exit mobile version