Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বাংলার মেগা-ফাইনালে শুভেন্দুর ‘অস্ত্র’ বজরংবলী! খিদিরপুরের মন্দির থেকে হুঙ্কার, আজ কি উল্টে যাবে রাজনীতির সমীকরণ?

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আজ ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬। বাংলার ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। সাত জেলার ১৪২ টি আসনে ভোটযুদ্ধের শেষ দফার চূড়ান্ত লড়াই আজ। কিন্তু ভোটের লাইনে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়ার আগেই খিদিরপুরের রাস্তায় হঠাৎ শোরগোল! সাতসকালে খিদিরপুরের ঐতিহাসিক হনুমান মন্দিরে হাজির স্বয়ং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

সকাল হতেই সাদা-পাঞ্জাবিতে একেবারে আধ্যাত্মিক মেজাজে ধরা দিলেন শুভেন্দু। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মন্দিরে ঢুকে বজরংবলীর চরণে পুজো দিলেন তিনি। মন্দির থেকে বেরিয়ে তিলকধারী শুভেন্দুর হুঙ্কার, “আজ বাংলার পরিবর্তনের চূড়ান্ত দিন। জয় নিশ্চিত দেখেই আশীর্বাদ নিতে আসা।” রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, খিদিরপুরের মত সংবেদনশীল এলাকায় হনুমান মন্দিরে শুভেন্দুর এই পুজো দেওয়া আদতে একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা।

এক নজরে আজকের ভোটের মেগা পরিসংখ্যান: আসন সংখ্যা: ১৪২ (দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমান)।
লড়াইয়ের ভরকেন্দ্র: ভবানীপুর কেন্দ্র। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর দ্বৈরথকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। নিরাপত্তা: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে বুথগুলি।

গত কয়েক সপ্তাহের হাই-ভোল্টেজ প্রচারের পর আজই ফয়সালা হবে বাংলার ভবিষ্যৎ। উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলোতে শাসক এবং বিরোধী—উভয় পক্ষেরই প্রেস্টিজ ফাইট। বিশেষ করে কলকাতায় শুভেন্দুর এই মন্দির-সফরকে বিরোধীরা ‘ধর্মীয় মেরুকরণ’ বললেও বিজেপি শিবির একে ‘ব্যক্তিগত বিশ্বাস’ হিসেবেই দেখছে।

ভোটের দিন কোনো রকম প্ররোচনামূলক মন্তব্য থেকে বিরত থাকলেও শুভেন্দুর শরীরী ভাষা বলছে তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। প্রশাসন সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ থাকলেও খিদিরপুর ও সংবেদনশীল বুথগুলোতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪ ঠা মে গণনার বাক্সে কার ভাগ্য খোলে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

Exit mobile version