প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই রীতিমত প্রচারের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে গেরুয়া শিবির। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার অপেক্ষা না করে আজই রাজ্য বিজেপির তিন প্রধান মুখ একটি সাংবাদিক বৈঠক করেছেন। যেখানে আগামী মার্চ মাস থেকে রাজ্যে শুরু হতে চলেছে পরিবর্তন যাত্রা। আর সেই পরিবর্তন যাত্রা নিয়েই শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী এবং সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরা সাংবাদিক বৈঠক করে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে তারা কতটা সংঘবদ্ধ। স্বাভাবিকভাবেই বঙ্গ বিজেপির এই তিন নেতাকে একসাথে দেখে রীতিমত উজ্জীবিত কর্মীরা। আর সেই সাংবাদিক বৈঠক থেকেই এবার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে রীতিমত ধুয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
এই রাজ্যে ২৬ এর বিধানসভায় তৃণমূলের ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনা যে অত্যন্ত ক্ষীন, তা শাসক দলের নেতারাও বুঝতে পারছেন। আর সেই কারণেই এসআইআর প্রক্রিয়ার ফলে তাদের আতঙ্ক ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনিতেই তো তাদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া কাজ করছে। তার মধ্যে যেভাবে এসআইআর হচ্ছে, তাতে রীতিমত আতঙ্কিত এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। অন্তত বিরোধীদের পক্ষ থেকে তেমনটাই দাবি করা হচ্ছে। তবে এসআইআর প্রক্রিয়া যেভাবে চলছে, সেভাবে চলুক। কিন্তু তার পাশাপাশি বিজেপি ভোটের ময়দানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোন কোন ইস্যুকে কাজে লাগাবে, তার কিছুটা আভাস আজ রাজ্য বিজেপির এই সাংবাদিক বৈঠকের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে গেল।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই রাজ্য শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। শমীকবাবু বলেন, “তৃণমূল শুধু মানব জীবনে প্রত্যেকটা পদক্ষেপকে ধ্বংসই করেনি। তারা এই রাজ্যের প্রাকৃতিক ভারসাম্যকেও নষ্ট করে দিয়েছে। মধ্যমেধার চাষের পরিবর্তে এই রাজ্যে সরাসরি শিক্ষকের চাকরি খোলা বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।”
