প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে তৃণমূল থাকতে কেউ মিটিং, মিছিল করতে পারবে না, কেউ কথা বলতে পারবে না, কেউ প্রতিবাদ করতে পারবে না। আর প্রতিবাদ করলেই তাকে হয় পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করা হবে, তা না হলে তৃণমূলের গুন্ডারা এসে তাকে ভয় দেখাবে। এটাই বর্তমানে এই রাজ্যের প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর যেখানে গণতন্ত্র নেই, সেখানে এই সরকারকে উৎখাত না করলে যে মানুষ স্বাধীনভাবে থাকতে পারবে না, তা বুঝতে পেরেই এখন ২০২৬ এ পরিবর্তনের লড়াইয়ের পক্ষে প্রচার করতে শুরু করেছে বিজেপি। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। কিন্তু তার আগে আজ নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে একটি কর্মসূচিতে গিয়ে যেভাবে তৃণমূলের দ্বারা হেনস্থা হলেন বিজেপির বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, তার ফলে আরও একবার এই রাজ্যের শাসক দলের রুচিবোধ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।
এমনিতেই এই রাজ্যের বুকে বিরোধী নেতা কর্মীদের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। প্রতিনিয়ত বিরোধীরা হেনস্থা হচ্ছেন। শাসকদলের বিরুদ্ধে কোনো কর্মসূচি করতে গেলেই পুলিশ বাধা দিচ্ছে। আর পুলিশ যদিও বা অনুমতি দেয়, তথাপি সেই কর্মসূচিতে গিয়ে তৃণমূলের কর্মীরা অসভ্যতা করছে বলেই অভিযোগ বিজেপির। আজ সেই রকমই নিজেরে বিধানসভা কেন্দ্রে একটি কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। কিন্তু তিনি সেখানে মানুষের সঙ্গে যখন কথা বলছেন, ঠিক তখনই তৃণমূলের চূড়ান্ত অসভ্যতা সামনে চলে এলো।
সূত্রের খবর, এদিন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত নিউ এগারা এলাকায় পাড়ায় পাড়ায় দিদিভাই কর্মসূচিতে সামিল হন। যেখানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। আর সেই সময়ই তৃণমূলের বেশ কিছু কর্মীরা তাকে গো ব্যাক স্লোগান দিতে শুরু করেন। এমনকি অগ্নিমিত্রা পালের সামনেই এক বিজেপি কর্মীকে হেনস্থা করা হয় বলেও অভিযোগ। স্বাভাবিকভাবেই গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এলাকা জুড়ে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল বুঝতে পারছে, তারা এবার ভোটে পরাজিত হবে আর সেই কারণেই নিজেদের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে পড়ছেন তারা। তবে ভোটের আগেই যদি এই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে ভোট যত এগিয়ে আসবে, ততই তৃণমূল আরও আক্রমনাত্মক হয়ে উঠবে। তাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে এবং ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের।
