Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ব্রেকিং: আমতলায় অভিষেকের অফিসে যোগী-মডেলের বুলডোজার অ্যাকশন! রবিবারই নজিরবিহীনভাবে খুলল হাইকোর্ট, তুমুল নাটকীয়তা এজলাসে!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় ও লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস্ প্রাইভেট লিমিটেডের একটি বহুতল ভবন ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নজিরবিহীন মোড় কলকাতা হাইকোর্টে। এই “বেআইনি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আজ, ১৯ জুলাই রবিবার ছুটির দিনেও আদালতের বিশেষ এজলাস বসিয়ে জরুরি শুনানির আবেদন জানায় লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস্ সংস্থা। কিন্তু সেখানেও প্রথম পর্বেই ঘটে গেল চরম নাটকীয় ঘটনা।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নির্দেশে আজ সকালেই বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর বিশেষ সিঙ্গল বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। কিন্তু আদালতের এজলাস বসলেও সেখানে রাজ্যের পক্ষে কোনো সরকারি আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। রাজ্যের এই অনুপস্থিতির কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। শেষমেশ আবেদনকারী পক্ষকে সমস্ত সরকারি বিবাদী পক্ষকে পুনরায় ফ্রেশ নোটিস বা সার্ভিস পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে শুনানি ১ থেকে দেড় ঘণ্টা পিছিয়ে দেয় হাইকোর্ট।

এই হাই-প্রোফাইল মামলার গুরুত্ব অনুধাবন করে লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস্ তথা অভিষেকের পক্ষে আইনি লড়াই লড়তে ময়দানে নেমেছেন রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল (AG) তথা প্রবীণ আইনজীবী কিশোর দত্ত। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করছেন সিনিয়র আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। অভিষেকের শিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, আমতলার ৫ তলা ভবনটির সমস্ত বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ বেআইনি, দ্বেষমূলক এবং গায়ের জোরে শনিবার বুলডোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুরের এই অতর্কিত বুলডোজার অভিযানের পরেই চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সাফ জানিয়েছেন, এই অন্যায় পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তিনি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আইনি লড়াই লড়বেন। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের দাবি, বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই ওই বহুতল বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল এবং একাধিকবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও কোনো জবাব না মেলায় আইন অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

রবিবার ছুটির দিনে হাইকোর্ট খুলে এই মামলার শুনানি শুরু হওয়ায় আইনি ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পিছিয়ে যাওয়া সময়ের পর পুনরায় আদালত কী অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

Exit mobile version