প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে যখন আগুন জ্বলছে, যখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে তলানিতে, যখন মানুষ বিপদে রয়েছে, তখন সরকারের মাথা ব্যাথার কারণ সাধারণ মানুষ নয়। তারা নিজেদের ভোটব্যাংক রক্ষা করতেই ব্যস্ত। বারবার করে এই অভিযোগ করে বিরোধীরা। আর আজ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন বিভিন্ন জায়গায় সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা যখন উৎসবের মধ্যে রয়েছেন, তখন শহর কলকাতায় ভয়ংকর পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যেখানে গভীররাতে নাজিরাবাদের গোডাউনে আগুন লেগে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই আগুন নেভানোর জন্য দমকল এলেও প্রথম থেকেই সরকারের তৎপরতা কেন লক্ষ্য করা যায়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। আর প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন যখন শহর কলকাতায় ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তখন সরকারের ভূমিকা নিয়েই বড় প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যের বিরোধী নেতারা মাঝেমধ্যেই বলেন যে, রোম যখন জ্বলছিল, তখন নীরো সেখানে বাঁশি বাজাচ্ছিলেন। আর সেই রকম ভাবেই এই রাজ্য যখন জ্বলছে, যখন রাজ্যে মানুষের মধ্যে হাহাকার চলছে, মানুষের বিপদে তখন পাশে দাঁড়ানোর মতো মনোভাব নেই সরকারের নেতা, মন্ত্রীদের। তারা উৎসবে প্রতিমুহূর্তে ব্যস্ত থাকেন। আর আজ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন সকাল থেকেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে রয়েছে শহর কলকাতা। টিভির পর্দায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদের গোডাউনে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। তবে ঘটনা ঘটার পরেও দীর্ঘ সময় ধরে কেন সরকারের তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, তা নিয়েই এবার সোচ্চার হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন মানুষের বিপদে না থেকে সরকার ছুটি কাটাচ্ছে বলে দাবি করলেন তিনি।
এদিন কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, “সরকার থাকলে তো আগুন নেভাবে। সরকার নেই। ছুটি কাটাচ্ছে প্রজাতন্ত্র দিবসে। সরকার নেই। আমাদের ময়নার একজন ছেলেকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার না থাকলে যা হয়। চলে যাবে, চিন্তা নেই।”
