Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

কোনো পাঁয়তারা চলবে না! ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী! খেলে দিলেন অমিত শাহ?

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন এবং হিংসা কার্যত সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগেও নির্বাচনগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। কিন্তু ভোটের দিন সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছিল। সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যেভাবে এই রাজ্যের প্রশাসন পরিচালনা করে এবং তারা যেভাবে তাদের কথা শুনে তাতে নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হয়, এমনটাই অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। কিন্তু এবার যেভাবে বিজেপি বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় মনোযোগ দেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনের দিকে কড়া নজরদারি রেখেছে,তাতে তারা যে এবার সবরকম হিংসা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত, তা বিজেপি নেতাদের বক্তব্য এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতদিন ভোট ঘোষণার পরেই বা ভোটের কয়েকদিন আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে। কিন্তু এবার ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের এখনও পর্যন্ত দিন ঘোষণা হলো না। কিন্তু তার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে। আর এর পেছনে অমিত শাহের সূক্ষ্ম মস্তিষ্কের চাল রয়েছে বলেই মনে করছেন একাংশ।

সকলেই বলছেন, ২০২৬ এও পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস চেষ্টা করবে, যেভাবেই হোক, ক্ষমতায় আসার‌। কিন্তু বিজেপিকে তারা যে পদ্ধতিতে নির্বাচন করে সেই অবৈধ পদ্ধতিকে প্রতিহত করতে, সব রকম প্ল্যান এখন থেকেই ছকে নিতে হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসে এবার বিজেপির টার্গেট যে একমাত্র বঙ্গ বিজয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি ভালো মতই উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গকে টাইট দিতে হলে আগেভাগেই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। আর সেই জন্যই কি এবার নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার আগেই রাজ্যে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী? ইতিমধ্যেই যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মার্চের একদম শুরুতেই রাজ্যে আসতে চলেছে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরবর্তীতে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলেই জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ এক কথায় ভোট এখনও পর্যন্ত ঘোষণা না হলেও বাংলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই বাড়তি নজর দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আর সেই কারণেই তারা বাংলায় নির্বাচনের দিন ঘোষণা আগেই প্রায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়ে দেবে বলেই খবর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অমিত শাহ খুব কাছ থেকেই বাংলার খবর রাখছেন। তিনি বুঝতে পারছেন যে, বাংলায় এবারও তৃণমূল কংগ্রেস মরণপন চেষ্টা করবে, ক্ষমতায় টিকে থাকার। কিন্তু বিজেপির কাছে এবার ক্ষমতায় না এলে সব সুযোগ শেষ। তাই যেভাবেই হোক, বাংলা জয় করতে হবে। আর সেই কারণে সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে। নির্বাচনে তৃণমূলের যে সমস্ত দুষ্কৃতীরা ভোটের দিন ওই বুথ দখল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভুলিয়ে, প্রশাসনকে দিয়ে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করে, এই প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। আর সেই কারণে আগেভাগেই অর্থাৎ ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে। যা তৃণমূলের এই সন্ত্রাসকে বন্ধ করতে এবং সমস্ত পায়তারাকে বন্ধ করতে শাহের মন্ত্রকের কড়া ট্রিটমেন্ট বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version