Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

কনভয়ে হামলার পরেই মিছিলে জনস্রোত! চন্দ্রকোনায় পতাকা হাতে গর্জন শুভেন্দুর!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
গত শনিবার রাজ্য রাজনীতিতে দেখার মত দৃশ্য সামনে আসে। যেখানে পুরুলিয়ার থেকে সভা করে ফেরার পথে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলা করার অভিযোগ ওঠে। এমনকি মোটা মোটা বাঁশ দিয়ে এবং কেরোসিন তেল দিয়ে তাকে হত্যা করার চক্রান্ত হয়েছিল বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। পরবর্তীতে প্রতিবাদ করে চন্দ্রকোনা বিট হাউসে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে ধর্না দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুধু চন্দ্রকোনা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি নেতা কর্মীরা ময়দানে নামেন। ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি আদালতের দরজায় পৌঁছে গিয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী যেদিন এই ঘটনা ঘটেছিল, সেদিনই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি চন্দ্রকোনায় এসে মিছিল করবেন। আর সেই মতই আজ সেই চন্দ্রকোনায় বিজেপির পতাকা হাতে প্রচুর মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এবং বিজেপি কর্মীদের সাথে করে প্রতিবাদ মিছিল করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

গত শনিবার চন্দ্রকোনায় যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে যে প্রতিবাদ শুভেন্দু অধিকারী করেছিলেন, তার ফলে রীতিমত চাপে পড়ে গিয়েছিল পুলিশ প্রশাসন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার রাস্তায় নিরাপত্তার দায়িত্ব যখন পুলিশের, তখন কেন তারা সেই নিরাপত্তা দিতে পারলো না, কেন কিছু মানুষ এসে শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে পরিকল্পনামাফিক এই ধরনের হামলা করলো এবং তারপরেও পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিলো না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। যে প্রশ্ন তুলে দীর্ঘক্ষণ সেই বিট হাউসে বসে ধরনাদেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। গর্জে উঠেছিলেন রাজ্যের সাধারণ মানুষরাও। অবশেষে আজ রীতিমত বিজেপির পতাকা হাতে প্রচুর মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সেই চন্দ্রকোনাতেই হাঁটতে দেখা গেল শুভেন্দু অধিকারীকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একসময় বাম সরকারের আমলের শেষের দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এইরকমই ঝাঁঝালো ভূমিকায় দেখতে পাওয়া যেত। যেখানেই তাকে বাধা দেওয়া হতো, সেখানেই গিয়ে তিনি আন্দোলন সংগঠিত করতেন। আর ঠিক একইভাবে তৃণমূল সরকারের আমলে যেভাবে প্রতি মুহূর্তে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে তাকে বাধা দান করা হচ্ছে, তাতে সেই রাস্তাই বেছে নিয়েছেন রাজ্যের বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর আজ চন্দ্রকোনাতে তিনি যে মিছিল করলেন এবং সেই মিছিলে যে পরিমাণ জনস্রোত লক্ষ্য করা গেল, তাতে বোঝাই যাচ্ছে যে, রাজ্যের গণতন্ত্রপ্রেমী সাধারণ মানুষরা রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই। অন্তত তেমনটাই দাবি করছেন বিজেপি নেতৃত্বরা।

Exit mobile version