Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

কসবায় ধুন্ধুমার! গণনাকেন্দ্র বদল নিয়ে হাইকোর্টে বড় ধাক্কা জাভেদ খানের, কমিশনের যুক্তিতেই সিলমোহর বিচারপতির!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-ভোটের গণনাকেন্দ্র ঘিরে চরম নাটকীয়তা তিলোত্তমায়। কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনাকেন্দ্র স্থানান্তর নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী জাভেদ খানের দায়ের করা মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামের বদলে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা করার যে সিদ্ধান্ত কমিশন নিয়েছিল, তাতেই বহাল থাকল আদালত। শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে এই মামলার শুনানিতে কমিশন ও প্রার্থীর আইনজীবীদের মধ্যে চলে জোরদার সওয়াল-জবাব।

তৃণমূল প্রার্থী জাভেদ খানের আইনজীবীর মূল অভিযোগ ছিল, নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনাকেন্দ্র পরিবর্তন করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ভোটের অন্তত এক সপ্তাহ আগে প্রার্থী বা তাঁর এজেন্টকে নোটিশ দিয়ে গণনাকেন্দ্র পরিবর্তনের কথা জানাতে হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তাঁরা।
পাল্টা সওয়ালে কমিশনের আইনজীবী আদালতের কাছে স্পষ্ট করেন, নির্বাচন পরিচালনার সুবিধার্থেই এই পদক্ষেপ। তিনি জানান, মোট ৫ টি পৃথক গণনাকেন্দ্রকে একত্রিত করে একটি বড় গণনাকেন্দ্র (আলিপুরের বিহারীলাল কলেজ) করা হয়েছে। যেখানে ১০টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে। গোটা চত্বর সিসিটিভি ক্যামেরার কঠোর নজরদারিতে থাকবে এবং সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুনানি চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী কিছুটা আক্রমণাত্মক মেজাজেই প্রশ্ন তোলেন, “কোথায় গণনা হবে বা কারা করবেন, সেটা কি কোনো রাজনৈতিক দল ঠিক করবে?” শেষ পর্যন্ত কমিশনের দেওয়া তথ্য ও যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে জাভেদ খানের আর্জি খারিজ করে দেয় আদালত।

সাধারণত নিরাপত্তা এবং পরিকাঠামোগত সুবিধার কথা মাথায় রেখে কমিশন গণনাকেন্দ্র নির্বাচন করে। কসবার ক্ষেত্রে গীতালিঞ্জলি স্টেডিয়ামের বদলে আলিপুরের কলেজে গণনাকেন্দ্র নিয়ে যাওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের এই রায়ের পর স্পষ্ট হয়ে গেল যে, গণনাকেন্দ্র চূড়ান্ত করার বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তই শেষ কথা।

এই রায়ের ফলে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজেই কসবা সহ অন্যান্য বিধানসভা কেন্দ্রের ভাগ্য নির্ধারিত হতে চলেছে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে খবর।

Exit mobile version