প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথাকে সিরিয়াসলি আর কেউ গুরুত্ব দেয় না। কারণ বুঝে গেছে সবাই যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেন, আতঙ্কে বলেন। আর এখন সামনেই যখন ভোট, তখন তিনি বুঝতে পারছেন যে, এবার এসআইআরের ফলে তার আর ক্ষমতায় আসা হবে না। তাই এখন আবার ধর্নায় একটি নাটক শুরু করে দিয়েছেন তিনি। আর সেই ধর্না মঞ্চ থেকেই আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সমস্ত কথা বলছেন, তা নিয়ে রীতিমত হাসতে শুরু করেছে বিরোধীরা। তারা বলছেন, বারবার এই সমস্ত হাস্যরসাত্মক কথা বলে নিজেই কেন হাসির পাত্রী হয়ে যান এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী? তিনি নিজেই তো কয়েকদিন পর আর মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন না। আর তিনি নাকি স্বপ্ন দেখছেন যে, তিনি দিল্লির সরকার ফেলে দেবেন। সত্যিই এটা আষাঢ়ে গল্প ছাড়া আর কিছু নয় বলেই কটাক্ষ করছে বিরোধীরা।
এর আগেও এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একটি মঞ্চ থেকে বলেছিলেন যে, তিনি নাকি গোটা দেশ হিলিয়ে দেবেন, তা নিয়ে হাসির ঝড় উঠেছিল রাজ্য রাজনীতিতে তো বটেই, জাতীয় রাজনীতিতেও। যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের রাজ্যে বেকারদের চাকরি দিতে পারেন না, নিজের রাজ্য সামলাতে পারেন না, তিনি নাকি দেশকে হিলিয়ে দেবেন। সত্যি, একথা শুনলে কে হাসবে না বলুন তো? আর এখন তিনি যখন দেখছেন যে, আর কোনোভাবেই ক্ষমতায় আসা সম্ভব হবে না। তখন আবারও মগের মলুকের মত এমন কিছু কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে ফেললেন, যার ফলে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে কটাক্ষ করে বলা হচ্ছে, পরাজয়ের আতঙ্ক এতটাই গ্রাস করেছে যে, এখন ভুলভাল বলতে শুরু করেছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
আজ এসআইআরের প্রতিবাদে তিনি যে ধর্না শুরু করেছেন, সেই মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “টিমটিম করে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতায় আছে। বিজেপি চন্দ্রবাবু নাইডুর দয়ায় তারা ক্ষমতায় টিকে আছে। আর যদি বিজেপি বেশি কিছু করতে যায়, তাহলে তিনি দিল্লির সরকার ফেলে দেবেন।” আর এখানেই বিজেপির পাল্টা প্রশ্ন, এইরকম হুমকি তো প্রতিনিয়ত দিয়ে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু করে দেখাতে পারছেন কোথায়? এর আগেও তো তিনি এরকম অনেক কথা বলেছিলেন। কিন্তু তার বাস্তবতা কোথায়? তাই তার কথাকে যে কেউ আর সিরিয়াসলি নেয় না, মানুষও যে তার বক্তব্য নিয়ে চিন্তিত নয়, মানুষ যে এখন তাকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে, সেইটুকু অন্তত বুঝতে পারলেই ভালো হবে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। আর তা না হলে তিনি যত এই সমস্ত অবাস্তব কথা বলবেন, ততই আরও বেশি করে জনবিচ্ছিন্ন যেমন হয়ে যাবেন, ঠিক তেমনই ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর বিরোধীদলের নেত্রীর তকমাটুকু আর তার কপালে জুটবে না বলেই দাবি করছে বিরোধীরা।
