প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এসআইআর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এবার পশ্চিমবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যে এই এসআইআর হচ্ছে। কিন্তু কোথাও থেকে তেমন কোনো অশান্তির খবর পাওয়া না গেলেও, সব থেকে বেশি এই এসআইআরকে কেন্দ্র করে অশান্তি এবং উত্তেজনার খবর পাওয়া যাচ্ছে বাংলা থেকে। এমনকি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিয়ত এই এসআইআরের বিরোধিতা করতে শুরু করেছে। অনেক জায়গাতেই তাদের নেতা, কর্মীরা গিয়ে আইন হাতে তুলে নিয়ে শুনানি প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আর এর ফলে বিরোধীরা প্রশ্ন তোলার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে যে, এসআইআরের ফলে তৃণমূলের এত ভয় কিসের? বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে বিজেপির প্রত্যেকটি নেতা নেত্রীদের দাবি, তৃণমূল খুব ভালো করেই জানে এসআইআর হলে অবৈধ ভোটারদের নাম বাদ যাবে। আর এতদিন তাদের নাম রেখেই তৃণমূল ক্ষমতায় জিতে এসেছে। তাই সেই সমস্ত অবৈধ ভোটারদের নাম বাদ গেলে তারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না জন্যেই তাদের এই এসআইআর নিয়ে এত আতঙ্ক এবং বিরোধিতা। তবে এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। কিন্তু প্রথম দিন থেকেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করে আসছেন, চূড়ান্ত তালিকা বেরোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। চূড়ান্ত তালিকা বেরোলে প্রায় ১ কোটির কাছাকাছি নাম বাদ যাবে। আর আজ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সামনেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে সবে ব্রেকফাস্ট হয়েছে, লাঞ্চের পর চূড়ান্ত তালিকা বেরোলে তৃণমূল বলবে আর তারা ভোটে লড়াই করবে না বলেই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানি পর্ব শুরু হয়েছে। তবে সেই শুনানি পর্বকে কেন্দ্র করেও বিভিন্ন জায়গা থেকে উত্তেজনার খবর আসছে। তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবেই হোক, মানুষকে পরিকল্পনা মাফিক এসআইআরের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে বলেই দাবি করছে বিরোধীরা। আর এই পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থানে অনড় থেকে এখনও পর্যন্ত ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গেলেও ভবিষ্যতে তৃণমূলের জন্য আরও বড় দুঃসংবাদ আসছে এবং তখন তারা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে আর ভোটে লড়বে না বলেই বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন দুর্গাপুরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির উপস্থিতিতে একটি দলীয় কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই এসআইআর নিয়ে তৃণমূলের আতঙ্ক বাড়িয়ে দেন তিনি। শুভেন্দুবাবু বলেন, “এসআইআর নতুন নয়। এটা নবম বার। এখন তো সবে ব্রেকফাস্ট হয়েছে। কত নাম বাদ গিয়েছে? ৫৮ লক্ষ। লাঞ্চের পরে দেখবেন, তৃণমূল আর নেই। তৃণমূল বলবে, ভোটে লড়বো না। ফাইনাল ভোটার লিস্ট বের হতে দেন। এসআইআর নির্বাচন কমিশন করে। আমরা করি না।”
