প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতায় বসার পর বেকার যুবক-যুবতীদের চাকরি না দিয়ে সামান্য কিছু ভাতা দিয়ে তাদের মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রথমে তিনি সিভিক ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করেছিলেন। যদিও বা সেই সামান্য বেতনে তাদের কিভাবে সংসার চলবে, তার দিকে আর কোনো খেয়াল নেই এই রাজ্যের সরকারের। বরঞ্চ যে সিভিক ভলেন্টিয়ারের নামে প্রচুর ছেলেদের চাকরি দেওয়া হয়েছিল, তাদের যেভাবে দলদাসে পরিপূর্ণ করেছে এই রাজ্যের সরকার, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। যেভাবে তাদের অবৈধ কাজে পর্যন্ত লাগানো হচ্ছে, তা নিয়েও বিভিন্ন সময় সোচ্চার হয়েছেন বিরোধী নেতারা। আর এই পরিস্থিতিতে অনেকের মধ্যেই সংশয় রয়েছে যে, ২৬ এর নির্বাচনে যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে হয়ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সরকারের চালু করা এই সমস্ত প্রকল্প তুলে দিতে পারে। এক্ষেত্রে বন্ধ হয়ে যেতে পারে ভাতা থেকে শুরু করে সিভিক ভলেন্টিয়ারের মত চাকরির বেতন। কিন্তু না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এমন সুবিধে দিচ্ছেন? তার থেকে অনেক বেশি সুবিধে এবং যে পরিমাণ টাকা দিয়ে একটি ছেলের সংসার চলে, সেই সমপরিমাণ অর্থ বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের দেওয়া হবে বলেই প্রতিশ্রুতি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যে যে সমস্ত সিভিক ভলেন্টিয়াররা রয়েছেন, যাদের সামান্য কিছু অর্থ দিয়ে সরকার কার্যত বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেয়, তাদের কি সেই সামান্য অর্থ দিয়ে সংসার চলে? সেই খোঁজখবর কি সরকারের নেতা-মন্ত্রীরা আদৌ নেন? আসলে তারা এই সিভিক ভলেন্টিয়ারদের নিজেদের দলের স্বার্থে কাজে লাগান বলেই অভিযোগ রয়েছে বিরোধীদের। এমনকি যারা এই সামান্য অর্থ নিয়ে সিভিক ভলেন্টিয়ারের কাজ করছেন, তাদের মধ্যেও নানা অভাব, অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তারা এটাও আশঙ্কা করছেন যে, তৃণমূল সরকার তো তাদের সামান্য হলে অর্থ দিচ্ছে। কিন্তু বিজেপি আসলে কি তাদের চাকরিটা থাকবে? অন্তত তৃণমূলের পক্ষ থেকেই তাদের যে এই ভুল ভাবনাটা বোঝানো হয়েছে, তা এক কথায় পরিষ্কার। তাই তাদের সেই ভুল ভাবনাকে ভেঙ্গে দিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে আরও অনেক বেশি অর্থ দিয়ে তাদের সংসার চালানোর মত ব্যবস্থাও করে দেওয়া হবে, এবার সেই কথাই জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমি কথা দিতে পারি সিভিক ভলেন্টিয়ারদের, যে ভয় ওরা আপনাদের দেখাচ্ছে যে, বিজেপি এলে চাকরি চলে যাবে, আমি বলি, ২১ টি রাজ্যে বিজেপির সরকার রয়েছে। ওড়িশা, দিল্লিতে বিজেপি এসেছে। একটা লোকেরও চাকরি যায়নি। আপনাদেরও চাকরি যাবে না। উল্টে আপনারা এমন অর্থ পাবেন, যে অর্থ দিয়ে বাবা মার সেবাও করতে পারবেন, বাচ্চাকেও প্রতিপালন করতে পারবেন। আনুন বিজেপিকে।”
