Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

মমতার পুলিশের ‘নোংরা খেলা’? তথ্য লুকিয়ে শুভেন্দুর মনোনয়ন বাতিলের ষড়যন্ত্র? হাইকোর্টে বিরোধী দলনেতা!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
ভবানীপুরের হাইভোল্টেজ লড়াই শুরুর আগেই মাঠের বাইরে থেকে গোল দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা শুরু করলো রাজ্য প্রশাসন? বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশ রুখতে কি নজিরবিহীন ষড়যন্ত্র চলছে লালবাজারে? বিস্ফোরক এই অভিযোগ নিয়েই এবার ফের কলকাতা হাইকোর্টের কড়া নাড়লেন বাংলার ‘জননেতা’ শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ‘ফর্ম ২৬’ হলফনামা আকারে জমা দিতে হয়। সেখানে প্রার্থীর বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত ফৌজদারি মামলার খতিয়ান দেওয়া বাধ্যতামূলক। তথ্য গোপন করলে মনোনয়ন বাতিল হতে পারে। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কতগুলি মামলা রয়েছে, পুলিশ বারবার চেয়েও সেই সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। অর্থাৎ, তথ্য না দিলে হলফনামায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে, আর সেই সুযোগে তাঁর প্রার্থীপদ খারিজ করার ছক কষছে শাসকদলের ‘তল্পিবাহক’ পুলিশ—এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর ওপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এর আগে একের পর এক ভিত্তিহীন মামলা সাজিয়েছিল রাজ্য। ২০২২ সালে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, আদালতের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কোনো নতুন এফআইআর করা যাবে না। যদিও সম্প্রতি বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সেই ঢালাও সুরক্ষাকবচ তুলে নিয়েছেন, তবুও আদালত স্বীকার করে নিয়েছে যে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৫ টি মামলা সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। চলতি বছরেই চন্দ্রকোনায় শুভেন্দুর কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেখানেও উল্টে বিরোধী দলনেতাকেই চাপে ফেলার চেষ্টা হয়। যদিও হাইকোর্ট ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত তাঁকে কড়া পদক্ষেপ থেকে সুরক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু এখন ভবানীপুরের লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয় রথ থমকে যাওয়ার ভয়েই কি পুলিশ তথ্য লুকোচ্ছে? এই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিজেপি ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, শুভেন্দু অধিকারীকে আইনি মারপ্যাঁচে আটকে রাখার চেষ্টা আসলে তৃণমূলের পরাজয় স্বীকার করে নেওয়া। পুলিশ তথ্য না দিলে আদালতই যে যোগ্য জবাব দেবে, সেই বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির। এখন দেখার, হাইকোর্টের নির্দেশে পুলিশের এই ‘লুকোচুরি’ খেলা বন্ধ হয় কি না। নজর থাকবে গোটা রাজ্যবাসীর।

Exit mobile version