Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বিজয়া সম্মিলনীর পর এবার প্রতি থানায় কালীপুজো! রঘু ডাকাতের উদাহরণ টেনে নজিরবিহীন দাবি মন্ত্রী জগন্নাথের!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিজয়া সম্মিলনী তো অনেক হলো, এবার রাজ্যের প্রত্যেকটি থানায় ধুমধাম করে আয়োজন করা হোক মা কালীর আরাধনা! আজ (বৃহস্পতিবার) বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক বিজয়া সম্মিলনীর প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে এমনই এক নজিরবিহীন ও চাঞ্চল্যকর প্রস্তাব দিলেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এই মন্তব্যের পরই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বীরভূমের সিউড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী নিজের এই দাবির সপক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাচীন বাংলার কুখ্যাত ‘রঘু ডাকাত’-এর উদাহরণও টেনে আনেন।

আজকের এই বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনেই মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমার একটা আবেদন থাকবে পুলিশ প্রশাসনের কাছে। থানায় থানায় যখন বিজয়া সম্মিলনী হচ্ছে, এবার থেকে প্রত্যেকটি থানায় যেন কালীপুজোরও আয়োজন করা হয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “থানায় একটা করে মা কালীর মূর্তি থাকা দরকার। রঘু ডাকাতও ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে মা কালীর পুজো করত। পুলিশও তো আসলে শক্তির উপাসক। তাই এমন ব্যবস্থা হোক যাতে থানায় চোর ঢুকলেও মায়ের দর্শন পায়। সেখানে চোরও এসে মাথা ঠুকবে, আবার পুলিশও মাথা ঠুকবে।”

এর পাশাপাশি, বর্তমান রাজ্য সরকারের নীতি স্পষ্ট করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বজায় রাখতে শিক্ষকদের সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া রুখতে মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের কথাও আজ মনে করিয়ে দেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী। সেই সঙ্গে পুলিশ বাহিনীকেও সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার কড়া বার্তা দেন তিনি। সামনেই দীপাবলি ও কালীপুজো, তার ঠিক আগেই বীরভূমের পুলিশের বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে দাঁড়িয়ে খোদ মন্ত্রীর মুখে এই ‘থানায় থানায় কালীপুজো’-র তত্ত্ব নিশ্চিতভাবেই রাজ্য রাজনীতিকে তুমুল সরগরম রাখবে।

Exit mobile version