প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে ইতিমধ্যেই এসআইআর হয়েছে। আর এসআইআর যখন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তখন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানুষকে আবার ভয় দেখানোর কৌশল বেছে নিয়েছেন। বারবার করে তিনি এসআইআরকে এনআরসি বলে চালানোর চেষ্টা করছেন। আর সেই জন্য গতকাল মতুয়া গড়ে গিয়ে তিনি সেখানকার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের মনে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করেছেন বলেই অভিযোগ বিজেপির। তবে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়া গড়ে গেলেন, সেখানে পদযাত্রা করলেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন ঠাকুরবাড়িতে একবারও গেলেন না? অতীতে তো যখনই তাকে মতুয়া গড়ে যেতে দেখা গিয়েছে, তখনই তিনি ঠাকুরবাড়িতে যেতেন। এবার কেন তিনি সেখানে যাওয়ার মত ক্ষমতা দেখালেন না? তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে মতুয়াদের অপমান করেছেন, যেভাবে তাদের সঙ্গে বঞ্চনা করেছেন, তাতে তার যে আর ঠাকুর বাড়িতে যাওয়ার মত ক্ষমতা নেই, এবার নেপথ্যে থাকা সেই গল্প ফাঁস করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
গতকাল বনগাঁয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি সভা করেন। আর তারপর একটি পদযাত্রা করেন। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তিনি ঠাকুরবাড়িতে একবারের জন্যও গেলেন না। অতীতে তো যখনই কোনো কর্মসূচি হতো, তখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠাকুর বাড়িতে যেতে দেখা যেত। কিন্তু এখন কেন তিনি সেখানে গেলেন না! এই প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে উঠেছিল। এমনকি দিনভর এই বিষয় নিয়ে চর্চাও হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তবে শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআরের বিরুদ্ধে সভা এবং পদযাত্রা করলেও সেই ঠাকুরবাড়িতে যে তিনি যেতে পারবেন না, তা স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন বনগাঁয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা এবং শেষ পর্যন্ত ঠাকুরবাড়িতে না যাওয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দুবাবুকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “উনি ঠাকুরবাড়িতে যাবেন না। কারণ উনি সিএএএর বিরোধিতা করেছেন। গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামের বক্রোক্তি করেছেন। উনি বীণাপানি দেবীর মায়ের চিকিৎসা নিয়ে ব্যাঙ্গ করেছেন। আর তিনি সনাতনের বিরোধী। তিনি হিন্দু ধর্মকে গন্ধাধর্ম বলেন। মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলেন। তাই তিনি ওখানে যাবেন না। এটা স্বাভাবিক।”
