Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

নাহ্! সুপ্রিম রায়ের পরেও কি ডিএ দেবে না রাজ্য? সৌগতর মন্তব্যে চমকে উঠছেন সরকারি কর্মচারীরা!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের সরকার আদালতে বারবার কানমোলা খেলেও তাদের শিক্ষা হয় না। কিন্তু আজ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে যে নির্দেশ এসেছেড় এর পরেও কি তারা এই নির্দেশ পালন করবে না? এরপরেও কি তারা নির্লজ্জতা সহকারে সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যতটা যা কাজ করা যায়, ততটাই করে যাবে? এত কিছুর পরেও যদি এবার রাজ্য সরকার বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিটিয়ে না দেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যে পাল্টা পদক্ষেপ হতে পারে, তা তারা কেন বুঝতে পারছে না? নাকি যে ফাপড়ে রাজ্য পড়েছে, তাতে ভাতা, ভর্তুকি দিয়েই তারা সব টাকা শেষ করে দিয়েছে? আর সেই কারণেই বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়ার মত বিন্দুমাত্র সামর্থ্য এই রাজ্য সরকারের নেই? কোন দিকে গড়াবে গোটা পরিস্থিতি? সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে যে নির্দেশ সামনে এসেছে, যেভাবে তারা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গিয়েছে এবং যেভাবে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে দেশের শীর্ষ আদালত, তাতে এই সমস্ত প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীরা অবশ্য দাবি করেছে যে, এবার আর রাজ্য সরকারের পালানোর কোনো উপায় নেই। ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের বকেয়া ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দিতে হবে এবং তারপর ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করে তাদের বকেয়া পরবর্তী মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর এসবের মধ্যেই এবার তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় যে মন্তব্য করলেন, তার ফলে বেশ কিছু আশঙ্কা মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে।

ইতিমধ্যেই আজ সকালেই সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়া নিয়ে যে নির্দেশ এসেছে, তাতে রীতিমত চাপে পড়ে গিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, এবার আর কোনোমতেই পালাতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়‌। তবে অনেকের মধ্যে আবার আশঙ্কা কাজ করছে যে, এবার এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হয়ত রাজ্য এমন কোনো কৌশল বেছে নেবে, যাতে তাদের এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দিতে না হয়। কারণ এই পরিমাণ মহার্ঘ ভাতা যদি তাদের আদালতের নির্দেশ মেনে দিতে হয়, তাহলে রাজ্যে অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দেবে। তাই যেভাবেই হোক, সরকার এটাকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করবে। আর এই পরিস্থিতিতে সেই রকমই সুর শোনা গেল তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের গলায়।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের ধাক্কা খাওয়া নিয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “না, এখনও তো পুরো ব্যাপারটা শেষ হয়নি। সুপ্রিম কোর্টে ডিভিশন পিটিশানে যেতে পারে রাজ্য সরকার। একেবারে বললেই তো সবটা দেওয়া সম্ভব হবে না। রাজ্যের আর্থিক অবস্থার কথাও ভাবতে হবে‌।” আর এখানেই প্রশ্ন যে, তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্য কোনো কৌশলের কথা ভাবছেন? যার মধ্যে দিয়ে এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে আদালত যে নির্দেশ দিয়েছে, সেই নির্দেশ যাতে পালন করতে না হয়? কারণ তিনি জানেন যে, এই বকেয়া মহার্ঘভাতা মিটিয়ে দেওয়ার যে সময়সীমা আদালত বেঁধে দিয়েছে, তার মধ্যে দিলে তাতে সরকারের অর্থনৈতিক বিপর্যয় তৈরি হবে। তাই সৌগত রায় যে বক্তব্য রাখলেন, তারপর গোটা বিষয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যেও ব্যাপক আশঙ্কা তৈরি হয়েছে‌। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

Exit mobile version