প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস মানুষকে নিরাপত্তা দিতে একেবারেই ব্যর্থ। সম্প্রতি কলকাতার বুকে যে ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তারপর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে। এই রাজ্যে কি আদৌ সরকার বলে কিছু আছে, সেই প্রশ্ন তুলে সোচ্চার হচ্ছে বিরোধীরা। বারবার যখন কলকাতা শহরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। কিন্তু তা থেকে শিক্ষা না নিয়ে কেন সরকার ঘুমিয়ে রয়েছে, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আর এসবের মধ্যেই প্রথম দিন থেকেই এই নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে সোচ্চার থাকা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আজ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন। আর সেখানে গিয়েই গোটা ঘটনায় এত মানুষের মৃত্যু নিয়ে তৃণমূলকেই দায়ী করলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই বেশকিছু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ২৩ জন মানুষের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রচুর মানুষের দেহ সনাক্তকরণের কাজ চলছে। তাদের আত্মীয়, পরিজনেরা রীতিমত কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এত মানুষের প্রাণ হারানোর ঘটনায় অনেকেই দমকলের তৎপরতার অভাব দেখতে শুরু করেছেন। অনেকে আবার জলাজমি ভরাটের বিষয়টি সামনে আনছেন। আর এই সমস্ত বিষয়ের মাঝেই আজ বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে সেই নাজিরাবাদে গিয়ে তরতাজা যুবকদের মৃত্যুর ঘটনায় শাসক দলের বিরুদ্ধেই সোচ্চার হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন নাজিরাবাদে পৌঁছে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সহ বিজেপি বিধায়করা। আর সেখানেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে দায়ী করেন তিনি। শুভেন্দুবাবু বলেন, “এত বড় দুর্ঘটনা সাম্প্রতিককালে পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতে হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। অন্য জেলা থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের কি পরিণতি হলো, দেখুন। আগুন লেগেছে মধ্যরাতে। দমকল এসেছে ৬ ঘন্টা পর। কলকাতায় যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কি দুরাবস্থা। সব তরুণ ছেলে। ছবি দেখলে চোখে জল আসবে। কেউ বেরোতে পারলো না। জলাজমি বুজিয়ে কি করে রেখেছে। টাকা ছাড়া আর কোনো কথা নেই। টাকা নিয়ে গোটা সোনারপুরকে বেচে দেওয়ার কাজ করছে তৃণমূলের চোরেরা। বিধায়কের অফিসে ৬০ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়। এই মৃত্যুর জন্য দায়ী রাজ্যের শাসক দল এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।”
