প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এত দিন ধরে এসআইআর নিয়ে নানা অভিযোগ ছিলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সুপ্রিম কোর্টে শুনানি করেছেন তিনি। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন যে, নামের পদবী সামান্য ভুল হলেই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নামে প্রচুর মানুষকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। আর আজ সেই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মুখ্যমন্ত্রী যখন এই সমস্ত কথা তুলে ধরে কমিশনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন, ঠিক তখনই পাল্টা তার জবাব দেয় নির্বাচন কমিশন। যার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যকেই বড় নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।
প্রসঙ্গত, আজ সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি ছিল। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী একাধিক বিষয় বলতে গিয়ে পদবিতে সামান্য ভুল থাকলেই তাকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী যখন এই ধরনের কথা বলছেন, তখন পাল্টা জবাব দেয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে তাদের আইনজীবী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ থেকে দক্ষ অফিসার চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুধুমাত্র ৮০ জন ক্লার্ক শুনানিতে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে।” আর মুখ্যমন্ত্রী যে বিষয়ে সোচ্চার হচ্ছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন যে যুক্তি সামনে আনলো, তারপরেই বিরাট নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।
সূত্রের খবর, এদিন দুই পক্ষের কথা শোনার পর শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “রাজ্যকে দক্ষ অফিসার দিতে হবে। যারা বাংলা ভাষায় দক্ষ এবং বাংলা ভাষা বোঝেন।” এক্ষেত্রে পরবর্তী শুনানির আগেই সেই তালিকা রাজ্যকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ নামের পদবি ভুল হলেই যেভাবে নির্বাচন কমিশন ডেকে পাঠাচ্ছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোচ্চার হলেও পাল্টা কমিশনের পক্ষ থেকে যে যুক্তি দেওয়া হলো, তাতে রাজ্যকেই বড় নির্দেশ দিলো শীর্ষ আদালত।
