Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ভোটের দিন সকালেই নন্দীগ্রামে ধুন্ধুমার! বুথের বাইরে থেকে আটক কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কড়া নিরাপত্তার মধ্যে নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হতেই চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। ভোট প্রক্রিয়ায় অশান্তি পাকানো ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে আজ, মঙ্গলবার সকালে, নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের কংগ্রেস সভাপতি তথা বুথ এজেন্ট এসকে আশরাফুল তুল্লাহকে (Asraful Tulla) আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের খবর, আজ সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নন্দীগ্রাম অঞ্চলের একটি বুথ ক্যাম্পের বাইরে বসেছিলেন আশরাফুল তুল্লাহ। সেই সময় আচমকাই পুলিশ সেখানে পৌঁছে তাঁকে আটক করে গাড়িতে তুলে নেয়। বর্তমানে তাঁকে নন্দীগ্রাম থানায় আটকে রাখা হয়েছে বলে কংগ্রেস শিবিরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

ভোটের দিন সকালেই দলীয় ব্লক সভাপতি তথা বুথ এজেন্টকে এভাবে পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। প্রদেশ কংগ্রেসের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর নতুন বিজেপি সরকার এবং তাদের পুলিশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধীদের ভয় দেখাচ্ছে। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের বুথ স্তরের সংগঠনকে দুর্বল করতেই এই অতিসক্রিয়তা দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে যেকোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা বা অশান্তির আশঙ্কা রুখতে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই আজ সকাল সকাল সস্ত্রীক ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান এবং তাঁর স্ত্রী অর্পিতা প্রধান। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেয়ে জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর মিলন প্রধান জোরকদমে প্রচার চালিয়েছিলেন। ভোটের দিন সকালে নিজের এজেন্টের এভাবে আটকে হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনিও। অন্য দিকে, নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ সকালে পুজো দিয়ে নিজের জয় নিশ্চিত বলে দাবি করেছেন এবং বিরোধীদের এই সমস্ত অভিযোগকে পুরোপুরি গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

Exit mobile version