Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

সাংসদপদ খারিজের ডেডলাইনেই চরম নাটকীয়তা! লোকসভার স্পিকারকে জরুরি ফোন সুদীপদের!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-লোকসভার সদস্যপদ খারিজ হওয়া রুখতে এবার চূড়ান্ত সময়সীমার শেষ দিনে এসে বড় পদক্ষেপ নিলেন তৃণমূল ছেড়ে সদ্য গঠিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (NCPI)-তে যোগ দেওয়া ২০ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদ। দলত্যাগ বিরোধী আইনের নোটিশের চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার জন্য আজই ছিল লোকসভা সচিবালয়ের বেঁধে দেওয়া শেষ দিন। কিন্তু সেই ডেডলাইন পার হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে লোকসভা সচিবালয়ের কাছে আরও ১৪ দিন (২ সপ্তাহ) বাড়তি সময় চেয়ে আবেদন জানালেন NCPI-এর সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার জয়েন্ট সেক্রেটারি সন্তোষ কুমারের কাছে পাঠানো চিঠিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পিটিশনের উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি একেবারেই শেষ ধাপে রয়েছে, তবে তা সম্পূর্ণ করতে আগামী ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, লোকসভা সচিবালয়ের কড়া মনোভাব দেখে গতকাল, বুধবার সকালেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করেছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফোনেই তিনি স্পিকারের কাছে সময় বাড়ানোর আর্জি জানান। এদিকে দিল্লির এই আইনি টানাপোড়েনের মাঝেই আজ, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) কলকাতায় ২০ জন NCPI সাংসদকে নিয়ে এক জরুরি ও রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। লোকসভা সচিবালয়ের চিঠির চূড়ান্ত বয়ান এবং পরবর্তী আইনি রণকৌশল ঠিক করতেই এই মেগা বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে খবর।

তৃণমূলের টিকিটে জিতে আসা ২০ জন সাংসদ একযোগে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার পরেই দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী তাঁদের সাংসদপদ খারিজের দাবি তুলে লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক চিঠি ও পিটিশন দাখিল করেছিলেন তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই লোকসভা সচিবালয় নোটিশ জারি করে জবাব চেয়েছিল। এর আগে প্রথমে ৭ দিন, তারপর ৩ সপ্তাহ এবং পরবর্তীতে গত ২২ সেপ্টেম্বর স্পিকারের অফিস শেষবারের মতো সময় বাড়িয়ে ৮ অক্টোবরের ডেডলাইন স্থির করে দিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে সাংসদদের আইনজীবীরা ৮ অক্টোবরের মধ্যেই জবাব দেওয়া সম্ভব বলে জানালেও, শেষ মুহূর্তে তা দিতে না পারায় আবারও মেইল ও চিঠি পাঠিয়ে সময় চাইল NCPI।

Exit mobile version