প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এখন কোনো অবস্থাতেই কোনো গতি না পেয়ে একটা সূক্ষ্ম পরিকল্পনা অবলম্বন করেছেন। তিনি বুঝতে পারছেন যে, এসআইআর সঠিকভাবে হলে তার আর ক্ষমতায় থাকা হবে না। আর সেই কারণে এসআইআর ব্যবস্থাকেই পুরো ভণ্ডুল করে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তুলতে তিনি নামের বানান প্রশাসনকে দিয়ে ভুল করিয়ে অনেক নিরীহ মানুষকে যাতে এসআইআর প্রক্রিয়া শুনানিতে ডাকা যায়, তার চেষ্টা শুরু করেছেন। আর সেই কারণেই কিছুদিন আগে নবান্নে জেলাশাসকদের নিয়ে যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর থাকার না কথা থাকলেও, তিনি সেই বৈঠকে এসে জেলা শাসকদের ভয় দেখিয়েছেন। এক্ষেত্রে কোনো অবৈধ ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, তার জন্যও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন সেই বৈঠকে বলে বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
প্রসঙ্গত, এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রকাশ্য সভা থেকে তিনি এসআইআরের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন। আর যখন কোনোভাবেই সেই প্রক্রিয়া তিনি আটকাতে পারেননি, তখন গোটা ব্যবস্থাকে কি করে ভণ্ডুল করা যায় প্রশাসনকে দিয়ে, এখন সেই পরিকল্পনা বেছে নিয়েছেন এই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। ইচ্ছাকৃত ভাবে নিজের প্রশাসনিক আধিকারিকদের দিয়ে মানুষের নামের বানান ভুল করিয়ে তাদের ডেকে পাঠিয়ে হয়রান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। শুধু তাই নয়, অবৈধ ভোটারদের নাম ভোটার লিস্টে রেখে দেওয়ার ক্ষেত্রে উড়িয়া হয়ে উঠেছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই কারণেই নবান্নে জেলাশাসকদের বৈঠকে তিনি রীতিমত ভয় থেকে শুরু করে প্রলোভন, সবকিছুই দেখিয়েছেন বলেই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
গতকাল লোকভবনে এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্যপালের কাছে নিজেদের দাবি দাওয়া তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি নেতৃত্বরা। আর তারপরেই বাইরে বেরিয়ে এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বড় তথ্য ফাঁস করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন সরাসরি বিএলও, বিডিও, জেলা শাসকদের ভয় দেখিয়েছে। উন্নয়নের নামে জেলাশাসকদের নবান্নতে ডাকা হয়েছে। আগের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং বর্তমান মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ডেকেছেন। জেলাশাসকদের মোবাইল ফোন বাইরে রাখা হয়েছে। যে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর থাকার কথা নয়, বৈঠক চালু হওয়ার পরে ওনার উদয় হয়েছে। সেখানে ঢুকে জেলা শাসকদের বলেছেন, কোনো নাম যাতে বাদ না যায়, এটা দেখার দায়িত্ব তোমার। তোমার প্রমোশন পোস্টিং আমি পূরণ করে দেব।”
