Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

Big breaking অবশেষে যবনিকা পতন! হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করলো তৃণমূল!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
গোটা রাজ্যবাসী ঠিক এই সময়টারই অপেক্ষা করছিলেন। এমনিতেই তৃণমূল কংগ্রেসকে আঞ্চলিক দল বলে সকলে কটাক্ষ করে। কাজেই সেই তৃণমূলের নেতারা কাকে সাসপেন্ড করলেন, কাকে শোকজ করলেন, তা নিয়ে রাজ্যবাসী মোটেই চিন্তিত নয়। কিন্তু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল যে, তৃণমূলের একজন বিধায়ক হয়ে বাবরি মসজিদ তৈরির মত কথা বলছেন হুমায়ুন কবীর, তারপরেও তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়ার মত ক্ষমতা দেখাচ্ছে না এই রাজ্যের শাসক দল? তাহলে কি তারা হুমায়ুন কবীরের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে? নাকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন বিধায়ক বলেই সংখ্যালঘুদের না চটানোর জন্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এই খামখেয়ালী সিদ্ধান্ত? আর বিরোধীদের পক্ষ থেকে যখন এই সমস্ত প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, ঠিক তার মাঝেই আজ হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করলো তৃণমূল কংগ্রেস।

সূত্রের খবর, কিছুক্ষণ আগেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আর সেখানেই দল বিরোধী কাজের অভিযোগে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে দল থেকে সাসপেন্ড করার কথা জানিয়ে দেন তিনি। বলা বাহুল্য, এর আগেও দলের জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্রমশ বিষোদগার করে আসছিলেন এই হুমায়ুন কবীর। দল একাধিকবার তাকে শোকজ পর্যন্ত করেছিল। এমনকি হুমায়ুনবাবু নিজেও দলকে সময়সীমা দিয়ে বার্তা দিয়েছিলেন। সম্প্রতি তিনি বাবরি মসজিদ শিলান্যাসের কথা জানিয়ে দেন। যাকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা যখন কটাক্ষ করতে শুরু করেছিল রাজ্যের শাসক দলকে, তখন তৃণমূলও তাদের দলীয় বিধায়কের এই বাবরি মসজিদ শিলান্যাসের ঘোষণা নিয়ে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে যায়। আর ভোটের মুখে তৃণমূল বিধায়কের এই সিদ্ধান্ত চাপে ফেলে দিতে পারে দলকে, এই ভেবেই কি শেষ পর্যন্ত হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করার পথে হাঁটতে বাধ্য হলো রাজ্যের শাসক দল?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার দেখার বিষয় যে, হুমায়ুন কবীর কি করবেন! এতদিন তিনি দলের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু দল ছেড়ে দেওয়ার মত সিদ্ধান্ত তাকে নিতে দেখা যায়নি। কিন্তু এবার যখন দল তাকে সাসপেন্ড করে দিলো, ফলে এবার দেখার বিষয় যে, বিধানসভা ভোটের আগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন মানুষ তথা বিধায়ক হয়ে তার পরবর্তী সিদ্ধান্ত কি হয়? তিনি কি সংখ্যালঘুদের একত্রিত করে বড় কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, নাকি তৃণমূল ছেড়ে যোগদান করেন অন্য কোনো শিবিরে? নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

Exit mobile version