প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০২৬ যে বঙ্গ বিজেপির কাছে নয়, কেন্দ্রীয় বিজেপির কাছেও পাখির চোখ এবং সেই পাখির চোখ যে বাংলা দখল, তা নিয়ে আর কোনো দ্বিমত নেই কারো মধ্যেই। এতদিন বঙ্গ বিজেপির নেতা কর্মীদের মধ্যে একটা সংশয় ছিলো যে, তারা তো চাইছে, পশ্চিমবঙ্গ দখল করতে। কিন্তু কেন্দ্রীয় বিজেপি আদৌ চাইছে তো? তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বারবার করে বঙ্গ সফর এবং কর্মসূচির মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা সকলের কাছে। আর আজ আরও বেশি করে স্পষ্ট হয়ে গেল, যখন কিছুদিন আগেই বিজেপির নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের রাজ্য সফর নীতিন নবীন শুরু করলেন বাংলা দিয়ে। কিছুক্ষণ আগেই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে পা রেখেছেন তিনি। আর যেখানে রাজকীয় অভ্যর্থনার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হলো তাকে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন নীতিন নবীন। বিজেপির রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছেন তিনি। আর তার কাছে এত বড় গুরু দায়িত্ব পেয়ে প্রধান চোখ যে বাংলা দখল, তা আজ স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপির সর্বকনিষ্ঠ সর্বভারতীয় সভাপতি। কিছুক্ষণ আগেই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে পা রেখেছেন তিনি। যেখানে দুর্গাপুরে কমল মেলায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। আর বিমানবন্দরে পা রাখার পরেই বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে তাকে।
সূত্রের খবর, এদিন অন্ডাল বিমানবন্দরে পা রাখেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। যেখানে তাকে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ থেকে শুরু করে অন্যান্য নেতৃত্বরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এরপরেও যারা সন্দেহ করেছিলেন যে, বঙ্গ বিজেপির ইচ্ছা থাকলেও কেন্দ্রীয় বিজেপির ইচ্ছা নেই বাংলা দখলের ব্যাপারে, তাদের সেই সন্দেহ এখন দূর হয়ে যাওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। কেননা সর্বভারতীয় সভাপতি দায়িত্ব পাওয়ার পরেই যেভাবে বাংলায় চলে এসেছেন নীতিন নবীন, তাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, এবার কেন্দ্রীয় বিজেপি সর্বস্ব শক্তি দিয়ে বাংলা দখলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আর তাই দায়িত্ব পাওয়ার পরেই তার সব থেকে বড় টার্গেট যে বাংলায় তৃণমূলকে সরানো এবং সেই জন্যেই যে তিনি তড়িঘড়ি পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছে গিয়েছেন, তা স্পষ্ট হয়ে গেল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
