প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-অপেক্ষার অবসান। অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর নবান্নের ১৪ তলায় সেই বহুকাঙ্ক্ষিত মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসলেন বাংলার ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার দুপুরে নবান্নে পা রাখতেই শঙ্খধ্বনি আর জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চত্বর। তবে শুধু কুর্সিতে বসাই নয়, দায়িত্ব নিয়েই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে রণংদেহী মেজাজে ধরা দিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।
বৈঠক কক্ষে শুভেন্দু অধিকারীর ঠিক পাশেই রয়েছেন অভিজ্ঞ রাজনীতিক দিলীপ ঘোষ। উপস্থিত আছেন অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু-র মত দলের লড়াকু সৈনিকেরা। প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে রদবদলের ইঙ্গিত দিয়ে বৈঠকে হাজির করা হয়েছে মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত্য নারিয়ালা এবং ভূমি দপ্তরের সচিবকেও।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠক কেবল সৌজন্যের নয়, বরং রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় বড়সড় অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি। বিশেষ করে ভূমি দপ্তরের সচিবের উপস্থিতিই বলে দিচ্ছে যে, জমি মাফিয়া এবং বেআইনি দখলদারি রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নের অলিন্দে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে— প্রথম বৈঠকেই নাকি বেশ কিছু গোপন ফাইল খোলার নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু।
১৫ বছরের জগদ্দল পাথর সরিয়ে এবার কি তবে আসল ‘পরিবর্তন’-এর স্বাদ পাবে বাংলা? প্রথম বৈঠকের পর কি বড় কোনো ধামাকা ঘোষণা করবেন মুখ্যমন্ত্রী? উত্তরের আশায় এখন টিভির পর্দায় চোখ গোটা বাংলার মানুষের।
