প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর যুগে আমরা সবাই অনলাইনের মধ্যে দিয়েই সমস্ত কিছুতে আবেদন করছি। এক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের আবেদনও সেই অনলাইনেই মাধ্যমেই বাড়িতে বসেই করতে পারছেন সাধারণ জনতা। কিন্তু এই রাজ্যে আবার অন্যরকম এক চিত্র দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কখন কি করেন, তা তিনি নিজেও কি যে সঠিকভাবে জানেন? এই প্রশ্ন উঠছে, তার কারণ, বর্তমানে চলছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। এক জায়গায় এত মানুষ জড়ো হয়ে এই পরিস্থিতিতে কিছু না করাই শ্রেয়। কিন্তু সেই রকম একটি সময়ে আগামীকাল থেকে রাজ্যে যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম দেওয়ার কাজ শুরু হচ্ছে। প্রত্যেকটি বিধানসভায় ক্যাম্প করা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। আর এখানেই বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যখন প্রত্যেকটি সরকারি প্রকল্পের কাজ অনলাইনে মধ্যে দিয়েই হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ সেই সমস্ত প্রকল্পে অনলাইনের মধ্যে দিয়ে আবেদন করছে, তখন কেন এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম? তা নিয়ে সোচ্চার হলেন তিনি।
প্রথমে ঠিক ছিলো, যুবসাথী প্রকল্পের টাকা ঢোকার প্রক্রিয়া আগামী ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে। কিন্তু তারপরেই হয়ত এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে খবর গিয়েছে, যেভাবে বেকার যুবকরা ক্ষেপে রয়েছেন, তাতে তার সরকার টিকে থাকবে কিনা, সেটাই একটা বড় প্রশ্ন। তাই তড়িঘড়ি সেই প্রকল্পের টাকা এপ্রিল মাস থেকে ঢোকার কাজ শুরু হবে বলে দিন এগিয়ে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামীকাল থেকে সেই যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ প্রক্রিয়া শুরু হবে। কিন্তু সমস্ত কিছু যে রাজ্যে এবং যে দেশে অনলাইনে মধ্যে দিয়ে হয়, সেখানে যখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, তখন এত মানুষ ভিড় করে কেন অফলাইনে সেই ভাবে ফর্ম ফিলাপ করবে? এই প্রশ্ন মানুষের মধ্যে থেকেই উঠতে শুরু করেছে। আর মানুষের সেই কথাই তুলে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সল্টলেকে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই প্রকল্প নিয়ে দুটি বড় প্রশ্ন তুলে দেন তিনি। শুভেন্দুবাবুর প্রশ্ন, এর আগে যুবশ্রী প্রকল্প চালু করেছিলো। রাজ্য সরকার প্রচুর ছেলেমেয়ে সেখানে ফর্ম ফিলাপ করেছিলো। কিন্তু তার ভবিষ্যৎ কি হলো? আর শুভেন্দুবাবুর দ্বিতীয় প্রশ্ন, এই রাজ্যের বুকে, এই দেশের বুকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইনের ওপরেই ভরসা করা হয়। সেক্ষেত্রে এক্ষেত্রে কেন অফলাইন হচ্ছে? আর যখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, তখন এইভাবে বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প করে এই প্রক্রিয়া করার কতটা যৌক্তিকতা রয়েছে? সেই প্রশ্ন তুলে ধরে রাজ্যকে চাপে ফেলে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
