Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

অত্যাচারের দিন শেষ! কনভয়ে হামলা হতেই থানায় ঢুকে মেঝেতে বসে পড়লেন শুভেন্দু!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে যখন কোনোভাবেই ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না তৃণমূল কংগ্রেস, যখন তারা এটা খুব ভালোমতই বুঝে গিয়েছে, তখন কি বিরোধী নেতাদের বা যারা তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করছে তাদেরকে শেষ করে দেওয়াই এখন একমাত্র লক্ষ্য? কেননা আজ পরিবর্তন সংকল্প সভা করে মেদিনীপুরে ফিরে যাচ্ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই সময় তাকে স্বাগত জানানোর জন্য চন্দ্রকোনায় যে সমস্ত বিজেপি কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, সেখানে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা হয়। অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলা করার চেষ্টা করে রাজ্যের শাসক দলের নেতাকর্মীরা। আর এর আগেও একাধিকবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে রাস্তায় নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের, সেখানে তাদের সামনে কি করে তার কনভয়ের ওপর এই ধরনের হামলা কিছু মানুষ করার ব্যাপারে উদ্যোগী হলেন? কেন এই ব্যাপারে পুলিশের সদর্থক ভূমিকা ছিল না, তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। আর সেই বিষয় নিয়েই এবার সরাসরি নিজের ক্ষোভ সামাল দিতে না পেরে পুলিশ বিট হাউসে পৌঁছে গিয়ে অবস্থানে বসে পড়লেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন পুরুলিয়া থেকে পরিবর্তন সংকল্প সভা করে মেদিনীপুরের দিকে যাচ্ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে চন্দ্রকোনা রোডে তাকে স্বাগত জানানোর জন্য বিজেপির যে সমস্ত নেতা কর্মীরা ছিলেন, সেখানে পৌঁছে যান কিছু তৃণমূল কর্মী। যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলা করার চেষ্টা করে তারা। এমনকি বাঁশ, লাঠি এবং কেরোসিন নিয়েও তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। পরবর্তীতে গোটা ঘটনায় যারা এই কাজ করেছেন, তাদের যাতে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হয়, সেই দাবি নিয়ে পুলিশ বিট হাউসে পৌঁছে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে সেখানেই অবস্থানে মেঝেতে বসে রয়েছেন তিনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিধানসভা নির্বাচনের সময় যতই এগিয়ে আসছে, ততই আরও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ঝাঁঝালো হয়ে উঠছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এর আগেও একাধিকবার তার ওপর হামলা করার চেষ্টা হয়েছে। কোচবিহারেও তার ওপর বিধ্বংসী হামলার ঘটনা সামনে এসেছিল। কোনো রকমে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তবে আজ আবার যে ঘটনা ঘটে গেল, তারপর সমস্ত সহ্যের সীমা লঙ্ঘন হয়ে গিয়েছে বলেই মনে করছে বিরোধীরা। যার ফলে শুভেন্দু অধিকারী রীতিমত চোখে চোখ রেখে সুবিচারের দাবিতে যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাদের যাতে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হয় এবং যতক্ষণ না গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, ততক্ষণ যে তিনি এইভাবেই মেঝেতে বসে থেকে তার প্রতিবাদ জানাবেন, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। যার ফলে অত্যন্ত চাপে রয়েছে রাজ্যের শাসক দল থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version