Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মূর্খ নয়” ২৬ এর নির্বাচন নিয়ে এ কোন মন্তব্য শমীকের? জানলে চমকে যাবেন!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বিহারের নির্বাচনী ফলাফল সামনে আসার পর পশ্চিমবঙ্গেও একটা চিত্র তৈরি হয়ে গিয়েছে যে, এবার বাংলায় পরিবর্তন হতে চলেছে। আর বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব যে বাংলার জন্য এবার সর্বোতভাবে ঝাপাবে, তা গতকাল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে আরও বেশি করে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে সকলের কাছে। তবে তৃণমূল অবশ্য দাবি করছে যে, বিহারের নির্বাচনী ফলাফলের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে এর কোনো প্রভাব পড়বে না। বাংলায় আবারও চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে যে, সত্যিই কি বাংলায় তাহলে পরিবর্তন এবার হবে? নাকি তৃণমূল যেটা বলছে, সেটাই সত্যিই হিসেবে দাঁড়াবে? ২০২১ এর মত মানুষ প্রত্যাশা নিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত কি খেলে দেবে এই রাজ্যের শাসক দল? তবে প্রথম দিন থেকে যতটা কনফিডেন্ট ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি, বিহারের নির্বাচনের পরেও পশ্চিমবঙ্গ থেকে যে তৃণমূলের বিদায় এবার অবশ্যম্ভাবী, তা স্পষ্ট করে দিলেন তিনি।

বিহারের নির্বাচনী ফলাফল সামনে আসার পর বঙ্গ বিজেপি অনেকটাই উজ্জীবিত। তারা দাবি করছে, এবার পরিবর্তন নিশ্চিত। তবে তৃণমূল দাবি করছে, বিজেপির সেই সংগঠন নেই। আর বাংলার সঙ্গে বিহারের তুলনা করলে বিজেপি নেতারা ভুল করবেন। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি মানুষের যে আস্থা এবং ভরসা রয়েছে, তা আবারও প্রমাণিত হয়ে যাবে। অনেকে বলছেন যে, তৃণমূলের এই কথাই হয়ত ঠিক হবে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে এর আগেও এত দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও, তৃণমূল বারবার করে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে। ফলে এবার পরিবর্তন হবেই, এই গ্যারান্টি কি করে দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা? তবে যে যাই বলুক না কেন, বাংলার মানুষ যে মূর্খ নয়, বাংলার মানুষ যে রাজনৈতিকভাবে অচেতন নন, সেই কথা তুলে ধরে বাংলায় পরিবর্তনের ব্যাপারে আরও একবার আওয়াজ তুললেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।‌ আর সেখানেই তিনি বলেন, “তৃণমূল চলে যাচ্ছে, তৃণমূল চলে যাবে। বিহারের মানুষ জঙ্গলরাজকে ফিরিয়ে আনতে চায়নি। আর পশ্চিমবঙ্গের মানুষ রাজনৈতিকভাবে অচেতন নন, মূর্খ নন। তৃণমূল কংগ্রেসকে তারা গ্রহণ করেছিল, পরীক্ষা করেছে, এখন প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে। সময়ের অপেক্ষা। ২০২৬ সালে এখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে।”

Exit mobile version