Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

পুলিশি স্পাই-গিরি’ বনাম শুভেন্দু: বিনীত-জাভেদের নাম তুলেই কি কাঁপল নবান্ন? প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- রাজ্যের মসনদ কি এতটাই নড়বড়ে যে, খোদ বিরোধী দলনেতা আর বিজেপি রাজ্য সভাপতির গতিবিধিতেও গোয়েন্দা বসাতে হচ্ছে? নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বাংলার আকাশে-বাতাসে ততই যেন ‘আড়িপাতার’ গুঞ্জন। এবার সেই গুঞ্জনকে রণহুঙ্কারে পরিণত করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফোন-ট্যাপিং থেকে শুরু করে লোকেশন ট্র্যাক— একগুচ্ছ বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (CEO) দফতরে হানা দিলেন ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি সেনাপতি। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির পোড়খাওয়া নেতা শমীক ভট্টাচার্য। সাধারণত বিরোধী নেতারা সরাসরি পুলিশ কর্তাদের নাম নিতে কিছুটা ইতস্তত করেন। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী তো আর পাঁচজন নেতার মতো নন! এদিন রীতিমত সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি আইপিএস বিনীত গোয়েল (IB) এবং জাভেদ শামিমের (STF) নাম উচ্চারণ করেছেন। শুভেন্দুর দাবি, এই দাপুটে কর্তাদের নজরদারিতেই নাকি বিজেপি নেতাদের ব্যক্তিগত ফোনে ‘উঁকিঝুঁকি’ মারা হচ্ছে। শুধু শীর্ষ নেতাই নন, বিজেপির নিচুতলার ‘মণ্ডল’ স্তরের নেতাদের পেছনেও গোয়েন্দা লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বিরোধীদের রণকৌশল আগাম জেনে নিতেই এই ‘ডিজিটাল গোয়েন্দাগিরি’? শুভেন্দুর গলায় এদিন ছিল চরম আত্মবিশ্বাসের সুর। তিনি শুধু অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি, রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “এসটিএফ আর আইবি কী করছে সব জানি। আমাদের কাছেও পাল্টা তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দুর এই ‘পাল্টা তথ্যপ্রমাণ’ হাতে রাখার দাবি নবান্নের অন্দরে বেশ অস্বস্তি তৈরি করেছে। বিরোধীদের দাবি, সরকারি বেতনভুক্ত অফিসাররা কি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের ‘ক্যাডার’ হিসেবে কাজ করছেন? শুভেন্দু ও শমীক এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিআইডি (CID), এসটিএফ (STF), আইবি (IB) এবং ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির মত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলিতে নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা উচিত। তাঁদের মতে, এই বিভাগগুলির একদল অফিসার নিরপেক্ষতা খুইয়ে শাসকদলের ‘সেবাদাস’ হয়ে উঠেছেন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথে এই পুলিশি নজরদারিই এখন সবথেকে বড় কাঁটা বলে মনে করছে বিজেপি শিবির। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি ফোন-ট্যাপিংয়ের অভিযোগ সত্যি হয়, তবে তা সংবিধানের চরম অবমাননা। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার কেড়ে নিয়ে কি ভোট জেতা সম্ভব? বিজেপি এখন এই ইস্যুটিকে গ্রাম থেকে শহর— সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে চাইছে। তাঁদের স্লোগান এখন একটাই— “পুলিশ দিয়ে দমিয়ে রাখার দিন শেষ, এবার জবাব দেবে বাংলা।” এখন দেখার, বিজেপির এই নালিশের পর নির্বাচন কমিশন আইপিএস মহলে কোনো রদবদল ঘটায় কি না। নাকি এই ‘স্পাই-গেম’ চলতেই থাকবে?

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
রাজ্যের মসনদ কি এতটাই নড়বড়ে যে, খোদ বিরোধী দলনেতা আর বিজেপি রাজ্য সভাপতির গতিবিধিতেও গোয়েন্দা বসাতে হচ্ছে? নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বাংলার আকাশে-বাতাসে ততই যেন ‘আড়িপাতার’ গুঞ্জন। এবার সেই গুঞ্জনকে রণহুঙ্কারে পরিণত করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফোন-ট্যাপিং থেকে শুরু করে লোকেশন ট্র্যাক— একগুচ্ছ বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (CEO) দফতরে হানা দিলেন ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি সেনাপতি। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির পোড়খাওয়া নেতা শমীক ভট্টাচার্য।

সাধারণত বিরোধী নেতারা সরাসরি পুলিশ কর্তাদের নাম নিতে কিছুটা ইতস্তত করেন। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী তো আর পাঁচজন নেতার মতো নন! এদিন রীতিমত সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি আইপিএস বিনীত গোয়েল (IB) এবং জাভেদ শামিমের (STF) নাম উচ্চারণ করেছেন। শুভেন্দুর দাবি, এই দাপুটে কর্তাদের নজরদারিতেই নাকি বিজেপি নেতাদের ব্যক্তিগত ফোনে ‘উঁকিঝুঁকি’ মারা হচ্ছে। শুধু শীর্ষ নেতাই নন, বিজেপির নিচুতলার ‘মণ্ডল’ স্তরের নেতাদের পেছনেও গোয়েন্দা লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বিরোধীদের রণকৌশল আগাম জেনে নিতেই এই ‘ডিজিটাল গোয়েন্দাগিরি’?

শুভেন্দুর গলায় এদিন ছিল চরম আত্মবিশ্বাসের সুর। তিনি শুধু অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি, রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “এসটিএফ আর আইবি কী করছে সব জানি। আমাদের কাছেও পাল্টা তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দুর এই ‘পাল্টা তথ্যপ্রমাণ’ হাতে রাখার দাবি নবান্নের অন্দরে বেশ অস্বস্তি তৈরি করেছে। বিরোধীদের দাবি, সরকারি বেতনভুক্ত অফিসাররা কি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের ‘ক্যাডার’ হিসেবে কাজ করছেন?

শুভেন্দু ও শমীক এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিআইডি (CID), এসটিএফ (STF), আইবি (IB) এবং ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির মত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলিতে নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা উচিত। তাঁদের মতে, এই বিভাগগুলির একদল অফিসার নিরপেক্ষতা খুইয়ে শাসকদলের ‘সেবাদাস’ হয়ে উঠেছেন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথে এই পুলিশি নজরদারিই এখন সবথেকে বড় কাঁটা বলে মনে করছে বিজেপি শিবির।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি ফোন-ট্যাপিংয়ের অভিযোগ সত্যি হয়, তবে তা সংবিধানের চরম অবমাননা। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার কেড়ে নিয়ে কি ভোট জেতা সম্ভব? বিজেপি এখন এই ইস্যুটিকে গ্রাম থেকে শহর— সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে চাইছে। তাঁদের স্লোগান এখন একটাই— “পুলিশ দিয়ে দমিয়ে রাখার দিন শেষ, এবার জবাব দেবে বাংলা।” এখন দেখার, বিজেপির এই নালিশের পর নির্বাচন কমিশন আইপিএস মহলে কোনো রদবদল ঘটায় কি না। নাকি এই ‘স্পাই-গেম’ চলতেই থাকবে?

Exit mobile version